Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
খরিফ মরশুমে ধান কেনায় বড় উদ্যোগ রাজ্যের! ২৪.৬৬ লক্ষ টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা, কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ২০০ টাকা পাবেন কৃষকরা   •   মাঝরাতেই অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, বাংলায় কি বৃষ্টির সম্ভাবনা? জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস   •   গণতন্ত্র রক্ষার ডাক, ২ নভেম্বর কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মহামিছিলের আহ্বান প্রদীপ সরদারের   •   ক্যানিং পূর্বে বিজেপির অন্দরেই কোন্দল! অসীম সাপুই ও জেলা সভাপতি উৎপল নস্করের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ, সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য   •   বালিগঞ্জ থানার বিজয়া সম্মিলনীতে উপস্থিত পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে উৎসবের আবহে সৌহার্দ্য বিনিময়   •   ক্যানিং পূর্বে বিজেপির অন্দরে পদ ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে ক্ষোভ! জেলা সভাপতি উৎপল নস্করকে নিশানা করে সরব রমেশ মণ্ডল, কালীপদ নস্করের পাশে থাকার বার্তা

মাঝরাতেই অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, বাংলায় কি বৃষ্টির সম্ভাবনা? জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

02 Nov 2026
06:56 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় নতুন করে আবহাওয়ার দিকে নজর রাখছেন দেশের একাধিক রাজ্যের মানুষ। আজ মাঝরাতেই অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। এই ঘূর্ণিঝড়কে কেন্দ্র করে উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্কতা ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কি পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে চলেছে? রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, নাকি আজও রোদের দাপট বজায় থাকবে?

প্রাথমিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’-র সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে এগোলেও তার প্রভাব বাংলার আবহাওয়ায় বড় কোনও পরিবর্তন ঘটাবে না বলেই অনুমান করা হচ্ছে। ফলে আপাতত রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য ভারী বৃষ্টির কোনও বড় আশঙ্কার কথা উঠে আসছে না।

অন্ধ্র উপকূলে শক্তি বাড়াচ্ছে মুরাসু

আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম-মধ্য ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। ক্রমশ উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২ নভেম্বর মাঝরাত থেকে ৩ নভেম্বর ভোরের মধ্যে নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। উপকূলে আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলায় কি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে?

ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে খুব বেশি পড়ার সম্ভাবনা না থাকলেও একেবারে বৃষ্টির সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা। বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে রাজ্যে এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আপাতত বড় কোনও আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা হয়নি।

আজ কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী কয়েকদিন আকাশের পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও বড় পূর্বাভাস আপাতত নেই। অন্যান্য জেলায় আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তবে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা আপাতত কম। বাকি জেলাগুলিতেও আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে হাওয়া অফিস।

কবে থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে?

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া ফিরে আসতে পারে। অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড় মুরাসুকে ঘিরে বাংলায় বড়সড় দুর্যোগের আশঙ্কা না থাকলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

সব মিলিয়ে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মূল প্রভাব পড়তে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলবর্তী এলাকায়। পশ্চিমবঙ্গে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে বলে সাধারণ মানুষকে আবহাওয়া দফতরের পরবর্তী পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।