Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
গণতন্ত্র রক্ষার ডাক, ২ নভেম্বর কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মহামিছিলের আহ্বান প্রদীপ সরদারের   •   ক্যানিং পূর্বে বিজেপির অন্দরেই কোন্দল! অসীম সাপুই ও জেলা সভাপতি উৎপল নস্করের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ, সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য   •   বালিগঞ্জ থানার বিজয়া সম্মিলনীতে উপস্থিত পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে উৎসবের আবহে সৌহার্দ্য বিনিময়   •   ক্যানিং পূর্বে বিজেপির অন্দরে পদ ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে ক্ষোভ! জেলা সভাপতি উৎপল নস্করকে নিশানা করে সরব রমেশ মণ্ডল, কালীপদ নস্করের পাশে থাকার বার্তা   •   শীতের আগেই ধুলোর চাদরে ঢাকা হটুগঞ্জ-রায়দীঘি রাস্তা! বেহাল দশায় অতিষ্ঠ নিত্যযাত্রীরা, বাড়ছে শ্বাসকষ্ট ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা   •   দুর্গন্ধ দূষণে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী! শূকর খামার বন্ধের দাবিতে পথে এলাকার মহিলারা, আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

‘অরাজকতা হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানে রাজপথে নামার ডাক ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার! সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মহামিছিল

01 Nov 2026
06:47 PM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: গণতন্ত্র রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এবার রাজপথে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। ‘অরাজকতা হটাও, স্লোগান একটাই—গণতন্ত্র বাঁচাও!’ এই স্লোগানকে সামনে রেখেই আগামীকাল সোমবার কলকাতায় মহামিছিলের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দুপুর ১টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হবে এই মিছিল। এরপর তা এগিয়ে যাবে ডোরিনা ক্রসিংয়ের দিকে। এই কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেছেন বিধায়ক।

দেবাংশু পাণ্ডার এই আহ্বানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর বার্তায় স্পষ্ট, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার রক্ষার প্রশ্নে বৃহত্তর জনমত গড়ে তুলতে চাইছেন তিনি। শুধু রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক নয়, সাধারণ মানুষকেও এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং প্রতিবাদের স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলি বারবার আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসছে। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘অরাজকতা হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে এই মহামিছিলের ডাক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াই কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর লড়াই নয়, বরং তা সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত।

বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা তাঁর আহ্বানে জানিয়েছেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং মানুষের অধিকারের লড়াইয়ে প্রত্যেকের রাজপথে উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, প্রতিবাদের আওয়াজ আরও জোরালো করতে হলে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর সেই ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দিতেই সোমবারের এই মহামিছিলের আয়োজন।

কলকাতার কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত এই মিছিলের রুটও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শহরের ব্যস্ততম এলাকাগুলির মধ্যে দিয়ে এই কর্মসূচি হওয়ায় সাধারণ মানুষের নজরও থাকবে মিছিলের দিকে। কত সংখ্যক মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন এবং মিছিল থেকে কী রাজনৈতিক বার্তা উঠে আসে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, রাজনৈতিক আন্দোলনে জনসমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কোনও স্লোগান তখনই বৃহত্তর রাজনৈতিক তাৎপর্য পায়, যখন তা সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তাই আগামীকালের এই মহামিছিলে মানুষের উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করতে পারে।

এখন দেখার, ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার আহ্বানে কতটা সাড়া দেন সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকরা। কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত এই মহামিছিল কতটা বড় আকার ধারণ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।