Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
বাসন্তীতে তেরঙ্গা যাত্রায় জনসমুদ্র, প্রদীপ সর্দারের নেতৃত্বে বিশাল পদযাত্রা   •   গেরুয়া রং নিয়ে বিতর্ক, একাডেমির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শমীক ভট্টাচার্য   •   আগে অনেক পুরুষের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতো, এবার কড়া যাচাইয়ের পরই মিলবে সরকারি সহায়তা:   •   অভয়ার মামলায় গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ওড়িশার সম্বলপুর থেকে ধরা পড়লেন   •   শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশা: পরিকাঠামোর অভাবে চরম দুর্ভোগ, আশ্বাস বিধায়কের   •   সমুদ্র উত্তাল, নদী ফুলেফেঁপে উঠছে, জলের তলায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা

বাসন্তীতে তৃণমূল নেত্রীকে জুতোর মালা!

20 Jul 2026
07:04 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,জেলার বার্তা ডেস্ক- দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী ব্লকের চৌরঙ্গী বাজার এলাকায় এক তৃণমূল নেত্রীকে প্রকাশ্যে হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, বাসন্তী পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ এবং নাফরগঞ্জ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা দুলাল মণ্ডলের স্ত্রী সুষমা মণ্ডলকে এলাকাবাসীর একাংশ জুতোর মালা পরিয়ে মারধর করে এবং কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরায়।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুষমা মণ্ডলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখানো, মারধর, তোলাবাজি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ছিল। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরও অভিযোগ, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় এক যুবকের পায়ে গুলি লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী বিজেপি নেতা উৎপল দত্ত ও প্রদীপ সর্দারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই মামলার মাধ্যমে বিরোধী প্রার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়, যার ফলে তাঁরা প্রার্থি প্রত্যাহার করেন। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর সুষমা মণ্ডল দীর্ঘদিন এলাকায় প্রকাশ্যে দেখা দেননি। পরে চৌরঙ্গী বাজার এলাকায় তাঁকে দেখতে পেয়ে, অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ পোষণকারী কয়েকজন বাসিন্দা এবং কিছু মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, সেই সময়ই তাঁকে জুতোর মালা পরানো, মারধর এবং কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হয়।

এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনায় দলের কোনও কর্মী বা সমর্থক জড়িত নন। তাঁদের বক্তব্য, "যাঁরা দীর্ঘদিন অত্যাচারের শিকার বলে দাবি করছেন, তাঁদের একাংশই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। আইন আইনের পথেই চলবে।"

অন্যদিকে, এই ঘটনার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাসন্তী এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে কি না বা কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়েও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

news home ads