Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

নিউটাউনে ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর ভূমিপুজো ও শিলান্যাস, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী

04 Sep 2026
06:03 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতার নিউটাউনে আয়োজিত হল ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর ভূমিপুজো ও শিলান্যাস অনুষ্ঠান। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষকে স্মরণীয় করে তুলতে এই ফিল্ম সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীদের সঙ্গে মহানায়কের অবদানকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।

নিউটাউনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রশাসনিক আধিকারিক, চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক মহলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি রয়েছে। ভূমিপুজো ও শিলান্যাসের মাধ্যমে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বছরজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁর অভিনয়, চলচ্চিত্রে অবদান এবং বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিউটাউনে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে এই প্রকল্প গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা রয়েছে।