Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
ডায়মন্ড হারবারের নেতৃত্বে কলকাতার মহামিছিলে শামিল বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগানে মুখর রাজপথ   •   খড়গপুরে আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতা, ২৬৩ জন দাবাড়ুর অংশগ্রহণ! নতুন প্রজন্মকে দাবায় উৎসাহিত করার উদ্যোগের প্রশংসা পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের   •   মাত্র ১ লক্ষ টাকা খরচেই পেঁয়াজ-রসুন সংরক্ষণ কেন্দ্র! বাকি ৫০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার   •   অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী দক্ষিণ আফ্রিকা, এবার ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে WTC27-এর লড়াই   •   পরিবর্তনের পদ্ম সরকার ক্ষমতায় আসতেই বাজি বাজারে ‘পদ্ম’ বাজির দাপট! চাম্পাহাটিতে ক্রেতাদের কাছে হট ফেভারিট শিবকাশীর ‘লোটাস’   •   দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারের পর অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানালেন কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড, দলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত?

কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মহামিছিল, ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোটের জয়ের বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

02 Nov 2026
09:06 PM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত আয়োজিত হল বিজেপির মহামিছিল। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী নীতিন নবীন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শ্রী শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব ও অসংখ্য কর্মী-সমর্থক। মিছিলকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয় বিশেষ চর্চা।

এই কর্মসূচির মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্য এবং নতুন সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা হয়। বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করেছে। এই বিপুল জনসমর্থনকে রাজ্যের মানুষের আস্থা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, মানুষের দেওয়া এই সমর্থন নতুন সরকারের কাছে যেমন গর্বের, তেমনই বড় দায়িত্বেরও।

মিছিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR। এই প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বক্তব্যে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে বলা হয়, ‘SIR মানে অনুপ্রবেশকারী হটাও, ভারত বাঁচাও’। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি ভোটার তালিকায় কোনও অযোগ্য নাম থাকলে তা আইন মেনে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

মিছিল থেকে আরও দাবি করা হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশের বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গেও যুক্ত। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা নতুন সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বলে বার্তা দেওয়া হয়।

মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচনে মানুষের দেওয়া রায়কে সম্মান জানিয়ে রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি রাজ্যের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার দায়িত্বও নতুন সরকারের কাঁধে রয়েছে।

কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এই মহামিছিলের মাধ্যমে বিজেপি নেতৃত্ব রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে একাধিক বার্তা দিতে চেয়েছে। নীতিন নবীন, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতি কর্মসূচিকে বিশেষ রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েছে।

সব মিলিয়ে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মহামিছিলের মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্যে উঠে এসেছে নির্বাচনী জনসমর্থন, ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সুশাসনের প্রশ্ন। ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোটের সমর্থনকে সামনে রেখে নতুন সরকারের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা পূরণের বার্তাও উঠে এসেছে এই কর্মসূচিতে।

 ২০২৬ সালের নির্বাচনী ফলাফল ও ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোটের তথ্য এখানে প্রদত্ত বক্তব্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। প্রকাশের আগে নির্বাচন কমিশনের সরকারি ফলাফলের সঙ্গে পরিসংখ্যানটি মিলিয়ে নেওয়া উচিত। SIR-এর উদ্দেশ্য ভোটার তালিকা যাচাই ও সংশোধন; নাগরিকত্ব বা অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।