Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

মমতা এখনও নিজেকে মুখ্যমন্ত্রী ভাবছেন কটাক্ষ শমীক ভট্টাচার্যের

24 Sep 2026
04:41 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও নিজেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই ভাবছেন। ক্ষমতা হারানোর বাস্তবতা মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, নির্বাচনে মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু সেই রাজনৈতিক বাস্তবতা মেনে নেওয়ার পরিবর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও আগের অবস্থানেই রয়েছেন বলে দাবি তাঁর।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অবশ্য তৃণমূলের বক্তব্য ভিন্ন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তাঁর দল প্রকৃত অর্থে নির্বাচনে পরাজিত হয়নি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফের ভোটের দাবি করেছেন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে তিনি পুনর্নির্বাচনের পাশাপাশি কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।

এই রাজনৈতিক অবস্থানকেই সামনে রেখে শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ক্ষমতা হারানোর বাস্তবতা মেনে নেওয়া সহজ হচ্ছে না। তাঁর কথায়, এতদিনের ‘নবাবী শাসন’-এর পর নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিজেপি নেতার এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। একদিকে বিজেপি নেতৃত্ব নির্বাচনের ফলকে জনমতের পরিবর্তনের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছে।

ফলে নির্বাচন-পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফলাফল মেনে নেওয়া বনাম নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ—এই দুই অবস্থানই বর্তমানে রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে।