Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তার বার্তা, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনার ৭ বছর পূর্তি   •   তৃণমূলকে সরিয়ে পঞ্চায়েতের দখল বিজেপির, আবির খেলায় উচ্ছ্বাস কর্মী-সমর্থকদের   •   দু’মাস ধরে বিদ্যুৎহীন ঠহরম ৪ নম্বর, ECL-এর সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপের সামনে গ্রামবাসীদের ধর্না   •   নিউটাউনে ফের বিশাল পুকুর ভরাটের অভিযোগ   •   আমতলায় বারুইপুর রোড পরিচ্ছন্নতা অভিযান, উদ্যোগে নাগরিক অধিকার রক্ষা সমিতি   •   হাওড়ায় রক্তদান ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, উপস্থিত রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য

বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে উলুবেড়িয়া-১ ব্লকে ঠিকাদারদের অবস্থান-বিক্ষোভ, জয়েন্ট বিডিওকে ৫ দফা ডেপুটেশন

19 Aug 2026
10:58 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবিতে উলুবেড়িয়া-১ ব্লক অফিসে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হলেন ঠিকাদাররা। বুধবার বকেয়া অর্থ পরিশোধ-সহ একাধিক দাবিতে ব্লক অফিসে গিয়ে বিডিওর অনুপস্থিতিতে জয়েন্ট বিডিওর হাতে পাঁচ দফা দাবিসংবলিত ডেপুটেশন তুলে দেন ঠিকাদারদের প্রতিনিধিরা।

ঠিকাদারদের অভিযোগ, উলুবেড়িয়া-১ ব্লকের বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা করে আসছেন। কাজ সম্পূর্ণ করার পরও বহু ক্ষেত্রে তাঁদের প্রাপ্য বিলের টাকা এখনও মেটানো হয়নি। ফলে আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। নিজেদের পুঁজি খরচ করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন টাকা আটকে থাকায় নতুন করে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলেও দাবি তাঁদের।

এদিন বকেয়া পাওনা দ্রুত পরিশোধের দাবিতে ব্লক অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করেন কয়েকজন ঠিকাদার। তাঁদের বক্তব্য, বারবার আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতির পরিবর্তে এবার তাঁরা তাঁদের ন্যায্য পাওনা দ্রুত হাতে পাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হাওড়া জেলায় প্রথমবারের মতো উলুবেড়িয়া-১ ব্লকের ঠিকাদাররা বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে সংগঠিতভাবে এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে যে অর্থ বকেয়া রয়েছে, তা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

ডেপুটেশনে মোট পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন ঠিকাদাররা। বকেয়া পাওনা দ্রুত পরিশোধ, কাজের বিল মেটানোর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঠিকাদারদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করার মতো বিষয়গুলি তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে।

ঠিকাদারদের বক্তব্য, “কাজ করেছি নিষ্ঠা ভরে, পাওনা কেন বাকি পড়ে?” তাঁদের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ঠিকাদারদের দীর্ঘদিন নিজেদের পকেট থেকে অর্থ খরচ করতে বাধ্য করা যাবে না। কাজ শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিল মেটানোর জন্য প্রশাসনকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিডিওর অনুপস্থিতিতে জয়েন্ট বিডিও ডেপুটেশন গ্রহণ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর ঠিকাদারদের।

ঠিকাদারদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত বকেয়া পাওনা মেটানোর বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে পারেন তাঁরা।

 

news home ads