Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
পঞ্চায়েত ভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পর্যালোচনা বৈঠক, ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্পে গতি আনার নির্দেশ   •   উদ্ধার হচ্ছে বিপুল অঙ্কের নগদ টাকা, প্রশ্নের মুখে দুর্নীতির অভিযোগ: সাধারণ মানুষের প্রাপ্য অর্থ কোথায় গেল?   •   কয়লা খনির বিস্ফোরণে কি ঘরবাড়িই মৃত্যুফাঁদ? ছাদ ভেঙে মহিলার মাথায় আছড়ে পড়ল পাথর, বিক্ষোভে স্তব্ধ বনজেমারি ওসিপি   •   আইসিসি উইমেনস ইমার্জিং নেশন্স ট্রফির প্রস্তুতিতে শ্রীলঙ্কা, দলের নেতৃত্বে নতুন মুখ হর্ষিতা সমরবিক্রমা   •   ছটপুজোর আগে দক্ষিণ কলকাতায় প্রায় ৫০টি ঘাট তৈরির উদ্যোগ, যোধপুর পার্কে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল   •   খড়গপুরে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে ধুলোর ঘূর্ণি! মুহূর্তে আকাশে উঠে গেল

অতিবৃষ্টিতে জলমগ্ন একাধিক জেলা, তিলপাড়া ব্যারাজ থেকে ৪ হাজার কিউসেক জল ছাড়া

06 Aug 2026
09:00 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : টানা অতিবৃষ্টি ও উজানের বৃষ্টির জেরে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জলস্তর নিয়ন্ত্রণে বীরভূমের তিলপাড়া ব্যারাজ থেকে ৪ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (YouTube)

বীরভূম ও ঝাড়খণ্ডে লাগাতার বৃষ্টির ফলে হিংলো নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর জল বেড়ে রসা ও গাংপুর গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বীরভূমের সতীঘাটা ব্রিজ জলের তলায় চলে যাওয়ায় যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রবল স্রোতের জেরে শাল নদীর ভাসা ব্রিজ ভেসে গিয়েছে। ফলে নদীর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

ঝাড়গ্রামেও টানা বর্ষণের প্রভাবে ঢোলডাঙা কজওয়ে জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রেখে পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে।

এদিকে বাঁকুড়া জেলার মানকানালি কজওয়ে অতিবৃষ্টির জেরে সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গিয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসন সাধারণ মানুষকে কজওয়ে পারাপার না করার অনুরোধ জানিয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নদীর জলস্তর আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত ত্রাণ ও উদ্ধার ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।