Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
বাসন্তীতে তেরঙ্গা যাত্রায় জনসমুদ্র, প্রদীপ সর্দারের নেতৃত্বে বিশাল পদযাত্রা   •   গেরুয়া রং নিয়ে বিতর্ক, একাডেমির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শমীক ভট্টাচার্য   •   আগে অনেক পুরুষের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতো, এবার কড়া যাচাইয়ের পরই মিলবে সরকারি সহায়তা:   •   অভয়ার মামলায় গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ওড়িশার সম্বলপুর থেকে ধরা পড়লেন   •   শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশা: পরিকাঠামোর অভাবে চরম দুর্ভোগ, আশ্বাস বিধায়কের   •   সমুদ্র উত্তাল, নদী ফুলেফেঁপে উঠছে, জলের তলায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা

রাতেই কলকাতায় আনা হল ধৃত জঙ্গি হামিম, ম্যারাথন জেরা শুরু

01 Aug 2026
04:29 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- বর্ধমান থেকে গ্রেফতার হওয়া জইশ-ই-মহম্মদ (JeM) যোগে সন্দেহভাজন হামিম মণ্ডলকে শুক্রবার রাতেই কলকাতায় আনা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) তাকে নিজেদের দফতরে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, ধৃতের যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, সম্ভাব্য সহযোগী এবং পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কার্যকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা।

তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ধৃত হামিম দীর্ঘদিন ধরে নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন রেখে ‘ওস্তাদ’ নামে পরিচিত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সে পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি চক্রের নির্দেশে বিভিন্ন এলাকায় রেকি চালাত এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির গতিবিধির উপর নজরদারি করত।

এসটিএফ সূত্রে আরও জানা গেছে, হামিমের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মোবাইলগুলির ফরেনসিক পরীক্ষা চালিয়ে তার যোগাযোগ, চ্যাট, লোকেশন হিস্ট্রি এবং সম্ভাব্য নির্দেশদাতাদের সম্পর্কে তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই মোবাইলগুলিতে জঙ্গি নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ থাকতে পারে।

তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃত হামিম নাকি মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি ও গতিবিধির উপর নজরদারি চালাত। তদন্তকারীরা মোবাইল থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন তথ্য ও লোকেশন ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখছেন, কোনও হামলার পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে কি না। তবে এই অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা এখনও তদন্তাধীন এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি তদন্তকারী সংস্থা।

এসটিএফের ধারণা, হামিম একা কাজ করছিল না। তার সঙ্গে যুক্ত অন্য কোনও ব্যক্তি বা স্লিপার সেলের সদস্য পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতকে আদালতের নির্দেশে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

news home ads