Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
পুল-আপ কেন এত কঠিন ব্যায়াম? শক্তি বাড়ানো থেকে পেশির গঠন—জেনে নিন এর উপকারিতা ও সঠিক কৌশল   •   কলকাতা আরক্ষা ভবনে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যান চলাচল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজর   •   গ্রিক দই বনাম সাধারণ দই: প্রোটিন ও প্রোবায়োটিকের জন্য কোনটি বেশি উপকারী? জেনে নিন পুষ্টিবিদদের পরামর্শ   •   বাসিরাম বাজার, নিমতলা নিউ মার্কেট ও রানীগড়-জ্যোতিষপুরের পুজোমণ্ডপে নিরাপত্তা পরিদর্শন, সুরক্ষা বৈঠকে প্রশাসনিক আধিকারিকরা   •   মন্দিরবাজার বাসস্ট্যান্ডে প্রথমবার সার্বজনীন দুর্গাপুজো, সাবেকি আয়োজনেই মাতোয়ারা এলাকাবাসী   •   আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনা, নজর কাড়ছেন ভারতের অলরাউন্ডার নিকি প্রসাদ

সরকারি কাজে গতি আনতে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, বিধানসভার সিদ্ধান্ত ৭ দিনের মধ্যে দফতরে, জবাব দেবেন মন্ত্রীরা

20 Jul 2026
07:51 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,জেলার বার্তা ডেস্ক- রাজ্যের প্রশাসনিক কাজের গতি আরও বাড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু ঘোষণা বা আশ্বাসে নয়, বাস্তবে দ্রুত কাজের প্রতিফলন দেখতে চান তিনি। সেই লক্ষ্যেই বিধানসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট দফতরে পৌঁছে দেওয়া এবং তার ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রের খবর, বিধানসভায় গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে পাঠানো হবে। এরপর সেই বিষয়গুলির অগ্রগতি এবং বাস্তবায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদেরই জবাবদিহি করতে হবে। এর ফলে প্রশাসনিক ফাইলের জট কমবে এবং সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হবে বলে মনে করছে নবান্ন।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্প ও নীতির ক্ষেত্রে শুধু ঘোষণা করলেই চলবে না, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়াতে প্রতিটি দফতরকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।

প্রশাসনিক মহলের মতে, এই নতুন ব্যবস্থায় বিধানসভায় আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি দীর্ঘদিন ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি সিদ্ধান্তের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছ থেকে ব্যাখ্যাও চাওয়া হবে।

রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারি কাজের গতি বাড়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।