Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
নবান্নে ‘লোকতন্ত্র সেনানী’ সম্মান: জরুরি অবস্থায় গ্রেফতার ৩২৫ জনকে সংবর্ধনা, মাসে ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ঘোষণা   •   ঘাটালের শ্যামচকে বন্যা পরিস্থিতি, প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা; জলের তলায় চাষের জমি ও বাড়িঘর   •   অভয়ার স্মরণ অনুষ্ঠানে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ন্যায়বিচারের বার্তা   •   জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে গোবিন্দপুরে শুরু ‘অল বেঙ্গল চেস প্রতিযোগিতা’, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ প্রতিভাবান দাবাড়ুদের   •   CREDAI Kolkata-র বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য   •   অন্ডালে এসটিএফের অভিযান, বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি; তদন্তের মুখে শেখ সামশের হোসেন

মধ্যমগ্রামে কর্মী সমাবেশে সুকান্ত মজুমদার, বিএমএসের প্রশংসায় বললেন— ‘বিজেপির কোনো শ্রমিক সংগঠন নেই’

12 Jul 2026
11:43 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের নেতাজি সুভাষ ময়দানে অনুষ্ঠিত Public Workers' Assembly-এ যোগ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি ড. সুকান্ত মজুমদার। কর্মী সমাবেশের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির, যেখানে বহু কর্মী, সমর্থক ও স্বেচ্ছাসেবীর অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. সুকান্ত মজুমদার শ্রমিক সংগঠন প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "বিজেপির কোনো শ্রমিক সংগঠন নেই।" তাঁর বক্তব্যে তিনি ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস)-এর ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় সংগঠনটির কাজের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, বিএমএস একটি স্বতন্ত্র শ্রমিক সংগঠন হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শ্রমিকদের অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাঁদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরার ক্ষেত্রেও বিএমএসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সুকান্ত মজুমদারের এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিক রাজনীতি, শ্রমিক সংগঠনের ভূমিকা এবং বিজেপির সঙ্গে বিএমএসের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন মহলে মতবিনিময় শুরু হয়েছে।

কর্মী সমাবেশের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরেও উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন বহু কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী। আয়োজকদের দাবি, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয়ে মধ্যমগ্রামের এই কর্মসূচি স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
 

news home ads