নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দেশের সুরক্ষায় দিনরাত নিয়োজিত বীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির আনন্দ ভাগ করে নিলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি। ছত্তিশগড়ের বস্তারে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে আলোর উৎসবে সামিল হয়ে তাঁদের সঙ্গে উৎসবের বিশেষ মুহূর্ত কাটান তিনি। শুভেচ্ছা বিনিময়, সৌহার্দ্য এবং আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় দীপাবলির এই বিশেষ পর্ব।
দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব, আনন্দ, সম্প্রীতি ও নতুন আশার বার্তা। সাধারণত পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের সঙ্গে মানুষ এই উৎসব উদযাপন করেন। কিন্তু দেশের সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের কাছে অনেক সময় উৎসবের দিনগুলিও কাটে কর্তব্যের মধ্য দিয়ে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁদের নিজেদের পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়। সেই সমস্ত সাহসী জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতার বার্তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
বস্তারে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই দীপাবলি উদযাপন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাঁদের শুভেচ্ছা জানানো এবং উৎসবের আনন্দে সামিল হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের নিরাপত্তায় তাঁদের অবদানের গুরুত্ব আরও একবার সামনে উঠে আসে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বরাবরই বিভিন্ন উৎসবের সময় দেশের সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর উদ্যোগ নিয়ে থাকেন। এর মাধ্যমে তিনি তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি দেশের মানুষের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের আত্মিক সম্পর্ককেও তুলে ধরেন।
দেশের প্রতিটি নাগরিক যখন নিশ্চিন্তে দীপাবলির আলোয় নিজেদের ঘর সাজান, তখন সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহু জওয়ান নিজেদের দায়িত্ব পালন করে চলেন। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস এবং কর্তব্যনিষ্ঠার প্রতি সম্মান জানানো প্রত্যেক দেশবাসীর দায়িত্ব।
বস্তারে জওয়ানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই দীপাবলি উদযাপন তাই শুধুমাত্র একটি উৎসব পালন নয়, বরং দেশের রক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও সংহতির বার্তাও বহন করছে। আলোর উৎসবের এই বিশেষ মুহূর্তে জওয়ানদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাঁদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আরও একবার সামনে এল দেশরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত মানুষদের প্রতি সম্মানের বিষয়টি।