Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
আইআইটি খড়গপুরে পশ্চিমবঙ্গে ‘ন্যাশনাল অয়েল মিশন’-এর সূচনা, কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে জোর   •   কলকাতা লিগ জয়ের উদযাপন, মোহনবাগান ক্লাবে পতাকা উত্তোলন   •   কৃষকদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে নকশালবাড়িতে মাটি পরীক্ষাগার ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের উদ্বোধন   •   ইকো পার্কে বাজেয়াপ্ত অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্য ধ্বংস, ‘নেশামুক্ত ভারত–২০২৯’-এর লক্ষ্যে কর্মসূচি   •   ময়নাগুড়িতে পুলিশের বড় সাফল্য, ৮৮০ কেজি অবৈধ মদ উদ্ধার   •   ঘূর্ণিঝড় নয়, গভীর নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস

কৃষকদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে নকশালবাড়িতে মাটি পরীক্ষাগার ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের উদ্বোধন

23 Sep 2026
10:05 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  কৃষকদের আরও আত্মনির্ভর করে তোলা এবং তাঁদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিল পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। নকশালবাড়ির সাতভাইয়ায় অবস্থিত এগ্রিকালচার মডেল ফার্মে উদ্বোধন করা হল মাটি পরীক্ষাগার, কমিউনিটি হল ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রের।

এই মডেল ফার্মে কৃষিকাজের পাশাপাশি কৃষকদের বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি করতে একাধিক প্রকল্পের কাজ চলছে। গাছের চারা তৈরি থেকে শুরু করে প্রাণীসম্পদ ও বিভিন্ন ধরনের কৃষিভিত্তিক উৎপাদনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এখানে মাশরুম চাষ, অস্ট্রেলিয়ান ব্রিডের শূকর পালন, দেশি কই ও সিং মাছের চারা উৎপাদন-সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আভাকাডো, ড্রাগন ফল, সুপারি, নারকেল ও কিউই চাষের কাজও চলছে। কালো মচির ও ভ্যানিলার মতো বিশেষ ধরনের গাছ ও ফসল উৎপাদনের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য, কৃষকদের শুধুমাত্র প্রচলিত চাষাবাদের উপর নির্ভরশীল না রেখে কৃষির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে আয়ের সুযোগ তৈরি করা। মাটি পরীক্ষাগারের মাধ্যমে মাটির গুণমান ও উপযোগিতা সম্পর্কে কৃষকদের আরও বৈজ্ঞানিক ধারণা দেওয়া সম্ভব হবে। প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন আধুনিক কৃষি ও আনুষঙ্গিক উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ, ফাঁসিদেওয়ার বিধায়ক দুর্গা মুর্মু এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা। কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তাঁদের আয়ের নতুন পথ তৈরি করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়।

কৃষির পাশাপাশি মৎস্য, প্রাণীসম্পদ, উদ্যানপালন ও বিশেষ ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।