Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

পশুখাদ্যের ঘাটতি মেটাতে ‘টিটিকালি’ চাষে জোর, একই সঙ্গে মিলবে দানা ও পশুখাদ্য

23 Sep 2026
05:29 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পশুখাদ্যের ঘাটতি মেটাতে কৃষকদের মধ্যে ‘টিটিকালি’ চাষ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসছে। এই ধরনের চাষে একইসঙ্গে পশুর খাদ্য এবং দানা—দুই ধরনের উপাদান পাওয়া যায় বলে কৃষকদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হতে পারে।

কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক এলাকায় গবাদি পশুর জন্য পর্যাপ্ত সবুজ ও পুষ্টিকর খাদ্যের জোগান নিয়ে সমস্যা দেখা যায়। ফলে কম খরচে বেশি পরিমাণ পশুখাদ্য উৎপাদনের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। সেই দিক থেকে টিটিকালি চাষ পশুপালন নির্ভর কৃষকদের জন্য কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে।

টিটিকালি চাষের মাধ্যমে একদিকে যেমন পশুর খাদ্যের জোগান বাড়ানো সম্ভব, অন্যদিকে দানা পাওয়ার সুযোগও থাকে। ফলে একই জমি থেকে কৃষকরা একাধিক সুবিধা পেতে পারেন। এতে পশুখাদ্য কেনার অতিরিক্ত খরচও কিছুটা কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে যেসব কৃষক গবাদি পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের জন্য পরিকল্পিতভাবে টিটিকালি চাষ করা লাভজনক হতে পারে। পশুখাদ্যের চাহিদা অনুযায়ী চাষের পরিমাণ বাড়ানো গেলে স্থানীয় স্তরে খাদ্যের ঘাটতিও অনেকটাই কমানো সম্ভব।

তবে কোন জাত, কোন সময়ে এবং কী পদ্ধতিতে টিটিকালি চাষ করলে বেশি ফলন পাওয়া যাবে, তা স্থানীয় কৃষি পরিস্থিতি অনুযায়ী কৃষি দফতর বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ঠিক করা প্রয়োজন। পশুখাদ্যের জোগান নিশ্চিত করতে কৃষকদের মধ্যে এই চাষ সম্পর্কে আরও সচেতনতা বাড়ানোর উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।