নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: এলারস-ড্যানলস সিনড্রোম (Ehlers-Danlos Syndromes বা EDS) হলো একগুচ্ছ বংশগত সংযোজক কলার (connective tissue) সমস্যা, যার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। শরীরে কোলাজেন ও সংযোজক কলার গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত জিনগত পরিবর্তনের কারণে এই সিনড্রোম দেখা দিতে পারে।
EDS-এর প্রতিটি ধরনের বৈশিষ্ট্য ও উপসর্গ এক নয়। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নমনীয় বা সহজে বাঁকানো যায় এমন জয়েন্ট, জয়েন্টে ব্যথা বা বারবার স্থানচ্যুতি, ত্বকের অস্বাভাবিক নমনীয়তা এবং সহজে কালশিটে পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যেতে পারে। কিছু নির্দিষ্ট ধরনের EDS-এ রক্তনালি বা অভ্যন্তরীণ অঙ্গের জটিলতার ঝুঁকিও থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উপসর্গের ধরন ও তীব্রতা ব্যক্তি এবং EDS-এর ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। তাই নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক রোগ নির্ণয় গুরুত্বপূর্ণ। EDS-এর ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে রোগীর পারিবারিক ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জেনেটিক পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া হতে পারে।
বর্তমানে সব ধরনের EDS-এর জন্য একক নিরাময়মূলক চিকিৎসা নেই। তবে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের সুরক্ষা, ফিজিওথেরাপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সমস্যা কমানো সম্ভব।