নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: বিশ্ববাজারে কৃষিপণ্যের প্রবেশাধিকার শুধুমাত্র পণ্যের চাহিদার ওপর নির্ভর করে না। আমদানিকারক দেশগুলির নির্ধারিত গুণমান, খাদ্যনিরাপত্তা এবং বিভিন্ন বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন মেনে চলাও রপ্তানির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখে কৃষক ও রপ্তানিকারকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যান্ড প্রসেসড ফুড প্রোডাক্টস এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (APEDA)। গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস বা GAP, খাদ্যনিরাপত্তা, অবশিষ্টাংশ পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন দেশের বাজার-নির্দিষ্ট নিয়মকানুন সম্পর্কে তথ্যের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সচেতন ও প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে উৎপাদন থেকে শুরু করে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্যাকেজিং এবং পরিবহণ—প্রতিটি পর্যায়েই নির্দিষ্ট মান বজায় রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে খাদ্যপণ্যে নিরাপত্তা ও রাসায়নিক অবশিষ্টাংশের নির্ধারিত সীমা মেনে চলা রপ্তানিকারকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পর্কে কৃষক ও রপ্তানিকারকদের সচেতনতা বাড়ানো গেলে ভারতীয় কৃষিপণ্যের গুণমান আরও উন্নত করার পাশাপাশি বিদেশি বাজারে গ্রহণযোগ্যতাও বাড়তে পারে। এর ফলে কৃষিপণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের জন্য বৃহত্তর বাজার তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে সহায়তা করার মাধ্যমে APEDA-র উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি-মানের ভারতীয় কৃষিপণ্যের সরবরাহ ও প্রসারকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গুণমান, নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বিধি মেনে চলাই বিশ্ববাজারে ভারতীয় কৃষিপণ্যের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি।