Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
আসানসোলে বিনিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ! বিপাকে ১০-১২ হাজার মানুষ, বন্ধ অফিস, উধাও কর্তারা   •   দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস, ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সতর্কতা জারি   •   স্বচ্ছ ভারতের অঙ্গ হিসেবে আলিপুরদুয়ারের ভোলাডাবরি RPF কলোনিতে সাফাই অভিযান, প্রতি রবিবার পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ   •   পরিষেবা না পাওয়ার অভিযোগে রানিগঞ্জে আমরাসোতা পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝোলালেন স্থানীয়রা   •   প্রধানমন্ত্রীর বাবাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ, পানাগড়ে মল্লিকার্জুন খাড়গের কুশপুতুল দাহ বিজেপির   •   ভিন রাজ্যে দুর্গাপুরের কাঁকসার যুবকের রহস্যমৃত্যু, খুনের অভিযোগ পরিবারের

বাল্যবিবাহ রুখতে মন্দিরে কড়া নিয়ম, বয়সের প্রমাণ ছাড়া বিয়ে নয়

12 Sep 2026
06:41 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: বাল্যবিবাহ রুখতে এবার আরও কড়া অবস্থান রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মন্দির কর্তৃপক্ষের। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার পর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মন্দিরগুলিতে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজ্য সরকারও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে হুগলির চুঁচুড়ার শরৎ সরণির কালীমন্দির-সহ বিভিন্ন মন্দির কর্তৃপক্ষ বিয়ের আগে বর-কনের বয়স যাচাইয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, বয়সের বৈধ প্রমাণপত্র ছাড়া মন্দির প্রাঙ্গণে কোনও বিয়ে দেওয়া হবে না।

আধার কার্ড বা অন্যান্য বৈধ সরকারি নথির মাধ্যমে বর ও কনের বয়স যাচাই করার পরই বিয়ের অনুমতি দেওয়া হবে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে। এর ফলে নাবালক-নাবালিকার বিয়ে আয়োজনের সুযোগ বন্ধ করার পাশাপাশি অভিভাবক এবং বিয়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও সতর্ক করা হচ্ছে।

সম্প্রতি রাজ্য সরকারের তরফে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বাড়ি বাড়ি নজরদারি এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। নাবালক-নাবালিকার বিয়েতে জড়িত ব্যক্তি বা সেই বিয়েতে সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বাল্যবিবাহ শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের প্রশ্ন। ফলে মন্দিরের মতো ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে বিয়ের আগে বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে এই ধরনের নির্দেশিকা কতটা কার্যকরভাবে রাজ্যের সর্বত্র বাস্তবায়িত হয়, প্রশাসন ও মন্দির কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় কতটা বাড়ে এবং বাল্যবিবাহের ঘটনা বাস্তবে কতটা কমানো সম্ভব হয়—সেদিকেই এখন নজর।