Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

পাট চাষে খরচ বাড়ছে, মিলছে না ন্যায্য দাম! হারিয়ে যাবে কি বাংলার ‘সোনালী আঁশ’?

03 Sep 2026
05:29 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  পাট চাষে উৎপাদন খরচ ক্রমশ বাড়লেও সেই অনুপাতে মিলছে না পাটের দাম। ফলে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘সোনালী আঁশ’ পাট চাষ নিয়ে বাড়ছে কৃষকদের উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে পাটের গুণগতমান বজায় রেখে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি দপ্তর।

মাথাভাঙা-২ নম্বর ব্লকের কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে বর্তমানে বিশেষ পদ্ধতিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কর্মসূচি চলছে। পাটের আঁশ যাতে সঠিকভাবে ছাড়ানো যায় এবং প্রক্রিয়াকরণের সময় তার গুণগতমান কোনওভাবেই নষ্ট না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে পাটের আঁশ ছাড়ানোর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। পাটের গুণমান নির্ভর করে মূলত সঠিক সময়ে পাট কাটা, জাগ দেওয়া এবং আঁশ ছাড়ানোর পদ্ধতির উপর। তাই প্রতিটি ধাপেই যাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, সেই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা।

কৃষকদের বক্তব্য, একদিকে সার, বীজ, শ্রমিকসহ চাষের বিভিন্ন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে বাজারে পাটের উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমছে। ফলে আগামী দিনে পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ কতটা থাকবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে পাটের গুণগতমান উন্নত করার পাশাপাশি কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা এবং পাট চাষে সরকারি সহায়তা আরও বাড়ানোর দাবি উঠছে। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই ফসলকে টিকিয়ে রাখতে কৃষি দপ্তরের এমন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।