Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
গ্রিক দই বনাম সাধারণ দই: প্রোটিন ও প্রোবায়োটিকের জন্য কোনটি বেশি উপকারী? জেনে নিন পুষ্টিবিদদের পরামর্শ   •   বাসিরাম বাজার, নিমতলা নিউ মার্কেট ও রানীগড়-জ্যোতিষপুরের পুজোমণ্ডপে নিরাপত্তা পরিদর্শন, সুরক্ষা বৈঠকে প্রশাসনিক আধিকারিকরা   •   মন্দিরবাজার বাসস্ট্যান্ডে প্রথমবার সার্বজনীন দুর্গাপুজো, সাবেকি আয়োজনেই মাতোয়ারা এলাকাবাসী   •   আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনা, নজর কাড়ছেন ভারতের অলরাউন্ডার নিকি প্রসাদ   •   নেপালের বিরুদ্ধে ওমানের জার্সিতে শাহ ফয়সালের নজরকাড়া পারফরম্যান্স, কেরিয়ারে প্রথমবার ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট   •   গোসাবার সোনারগাঁওয়ে দুর্গা দেওয়ানী নদীর বাঁধে দেড়শো ফুট ধস, আতঙ্কে এলাকাবাসী! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু মেরামতির কাজ

পাট চাষে খরচ বাড়ছে, মিলছে না ন্যায্য দাম! হারিয়ে যাবে কি বাংলার ‘সোনালী আঁশ’?

03 Sep 2026
05:29 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  পাট চাষে উৎপাদন খরচ ক্রমশ বাড়লেও সেই অনুপাতে মিলছে না পাটের দাম। ফলে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘সোনালী আঁশ’ পাট চাষ নিয়ে বাড়ছে কৃষকদের উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে পাটের গুণগতমান বজায় রেখে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি দপ্তর।

মাথাভাঙা-২ নম্বর ব্লকের কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে বর্তমানে বিশেষ পদ্ধতিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কর্মসূচি চলছে। পাটের আঁশ যাতে সঠিকভাবে ছাড়ানো যায় এবং প্রক্রিয়াকরণের সময় তার গুণগতমান কোনওভাবেই নষ্ট না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে পাটের আঁশ ছাড়ানোর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে। পাটের গুণমান নির্ভর করে মূলত সঠিক সময়ে পাট কাটা, জাগ দেওয়া এবং আঁশ ছাড়ানোর পদ্ধতির উপর। তাই প্রতিটি ধাপেই যাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, সেই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা।

কৃষকদের বক্তব্য, একদিকে সার, বীজ, শ্রমিকসহ চাষের বিভিন্ন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে বাজারে পাটের উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমছে। ফলে আগামী দিনে পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ কতটা থাকবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে পাটের গুণগতমান উন্নত করার পাশাপাশি কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা এবং পাট চাষে সরকারি সহায়তা আরও বাড়ানোর দাবি উঠছে। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই ফসলকে টিকিয়ে রাখতে কৃষি দপ্তরের এমন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।