Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
মালদহের গোপালপুরে ভয়াবহ গঙ্গাভাঙন, নদীগর্ভে বিঘার পর বিঘা জমি   •   জলমগ্ন বেলুড় ESI হাসপাতাল, জলে ডুবে এমার্জেন্সি চত্বর   •   রাতভোর বৃষ্টিতে জহরগড় সেতুতে দুর্ঘটনা, জলের তোড়ে ভেসে গেলেন ১৮ বছরের যুবক   •   প্রবল বৃষ্টিতে বড়বাজারে ২০০ বছরের পুরনো বাড়ি ভেঙে বিপত্তি, ছাদহীন দুই পরিবার   •   পটাশপুরে প্লাবন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে অগ্নিমিত্রা পাল, স্পিডবোটে এলাকা পরিদর্শন   •   অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ করবে বিজেপির মহিলা মোর্চা

পটাশপুরে প্লাবন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে অগ্নিমিত্রা পাল, স্পিডবোটে এলাকা পরিদর্শন

18 Aug 2026
11:08 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  টানা বৃষ্টি ও নদীর জল বৃদ্ধির জেরে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় তৈরি হয়েছে প্লাবন পরিস্থিতি। জলবন্দি বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পটাশপুরে পৌঁছে বানভাসি এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

স্পিডবোটে চেপে জলমগ্ন বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। কেলেঘাই নদীর বাঁধের পরিস্থিতিও পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে বাঁধ ও নদীর পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

পটাশপুর-১ ব্লকের নৈপুর, গোপালপুর, গোকুলপুর-সহ একাধিক এলাকায় জল ঢুকে পড়েছে। বহু রাস্তা জলের তলায় চলে যাওয়ায় ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক যাতায়াত। চাষের জমিও জলমগ্ন হওয়ায় ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন কৃষকরা।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার, পানীয় জল, ওষুধ ও ত্রিপল বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিচু এলাকার বেশ কিছু পরিবারকে নিরাপদ উঁচু জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিন বন্যার্তদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি কেলেঘাই নদীর গর্ভে থাকা অবৈধ ইটভাটা নিয়েও সরব হন অগ্নিমিত্রা পাল। নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহে বাধা তৈরি করলে সেগুলি সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে কড়া বার্তা দেন তিনি। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট দেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।

পটাশপুরের এই প্লাবন পরিস্থিতিতে দ্রুত ত্রাণ, উদ্ধার ও বাঁধ মেরামতির কাজ জোরদার করার দাবি উঠছে স্থানীয়দের মধ্যে। প্রশাসনের নজর এখন জলস্তর ও নদীবাঁধের পরিস্থিতির দিকে।

news home ads