Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরলেন তসলিমা নাসরিন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার নিয়ে সরব   •   রাস্তায় নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখলে মোটা জরিমানা, কড়া বার্তা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের   •   দমদম ও শ্রীরামপুরের মাহেশ বাজারে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের হানা, খতিয়ে দেখা হল বাজারদর ও মজুতদারি   •   পুলিশের জালে বেচারাম ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা, গ্রেফতার পীযূষ ঘোড়ুই   •   মেদিনীপুর-লালগড় রাজ্য সড়কের বেহাল দশা, ১৫ কিমি রাস্তা এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’   •   ঝাড়গ্রামের পুকুরিয়ায় হাতির তাণ্ডব, খাবারের খোঁজে লোকালয়ে দাঁতালের দল

১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরলেন তসলিমা নাসরিন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার নিয়ে সরব

02 Aug 2026
11:11 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক -  দীর্ঘ ১৯ বছরের নির্বাসন শেষে পশ্চিমবঙ্গে ফিরলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। কলকাতায় ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নারীর অধিকার এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউনিফর্ম সিভিল কোড) নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের প্রসঙ্গে তসলিমা নাসরিন বলেন, তিনি তাঁর মুক্তির দাবিতে একাধিকবার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে অনেক প্রতিবাদ করেছি। মুক্তচিন্তকরা প্রতিবাদ করলেও কাজ হয়নি। আমরা চাই চিন্ময় দাসকে মুক্তি দেওয়া হোক।”

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে মৌলবাদীদের প্রভাব বেড়েছে। তাঁর দাবি, “বাংলাদেশে জামাত একটি বড় রাজনৈতিক শক্তি হয়ে উঠেছে। তারা নারীদের অধিকারের বিরোধী। ওদের মতাদর্শ অনুসরণ করা হলে নারীদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নেও স্পষ্ট অবস্থান নেন তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু প্রত্যেকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত। আমি বিশ্বাস করতে চাই বিজেপি মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আমি চাই, যাঁদের ভিন্ন মত রয়েছে, তাঁরাও সমানভাবে সেই স্বাধীনতা ভোগ করুন।”

অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করে তিনি বলেন, সমাজে বৈষম্য দূর করতে এক দেশ, এক আইন প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, “মহিলাদের সমান অধিকার পাওয়া উচিত। বাংলাদেশে মুসলিম মেয়েরা বৈষম্যের শিকার। হিন্দু মেয়েদের অবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল। বৈষম্য দূর করতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি জরুরি।”

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও নারীদের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তসলিমা নাসরিন আরও বলেন, “বাংলাদেশে আগেও অত্যাচার হত, এখনও হয়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়েছে।”

তসলিমা নাসরিনের এই মন্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমতও সামনে আসছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যগুলি তাঁর নিজস্ব মতামত, এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলিতে বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।

news home ads