Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
নবান্নে ‘লোকতন্ত্র সেনানী’ সম্মান: জরুরি অবস্থায় গ্রেফতার ৩২৫ জনকে সংবর্ধনা, মাসে ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ঘোষণা   •   ঘাটালের শ্যামচকে বন্যা পরিস্থিতি, প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা; জলের তলায় চাষের জমি ও বাড়িঘর   •   অভয়ার স্মরণ অনুষ্ঠানে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ন্যায়বিচারের বার্তা   •   জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে গোবিন্দপুরে শুরু ‘অল বেঙ্গল চেস প্রতিযোগিতা’, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ প্রতিভাবান দাবাড়ুদের   •   CREDAI Kolkata-র বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য   •   অন্ডালে এসটিএফের অভিযান, বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি; তদন্তের মুখে শেখ সামশের হোসেন

কুলগামে জঙ্গি হামলায় মৃত বেড়ে দুই, দায় স্বীকার টিআরএফের; ১০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় হামলায় রক্তাক্ত কাশ্মীর

01 Aug 2026
05:07 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক-  জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় জঙ্গি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুই হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইটভাটায় কর্মরত দুই অ-স্থানীয় শ্রমিককে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান, অপরজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু হয়।

নিহত দুই শ্রমিকই ছত্তীসগঢ়ের বাসিন্দা বলে প্রশাসন জানিয়েছে। হামলার পরপরই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী। হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই হামলার দায় স্বীকার করেছে দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF), যাকে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি লস্কর-ই-তইবার (LeT)-এর একটি ছায়া সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। হামলার উদ্দেশ্য ও জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তদন্ত চলছে।

এটি গত ১০ দিনের মধ্যে কাশ্মীরে দ্বিতীয় বড় জঙ্গি হামলা। এর আগে অনন্তনাগ জেলায় অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তায় মোতায়েন এক পুলিশকর্মী জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছিলেন। ধারাবাহিক হামলার জেরে উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে অ-স্থানীয় শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

news home ads