Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
প্রধানমন্ত্রীর বাবাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ, পানাগড়ে মল্লিকার্জুন খাড়গের কুশপুতুল দাহ বিজেপির   •   ভিন রাজ্যে দুর্গাপুরের কাঁকসার যুবকের রহস্যমৃত্যু, খুনের অভিযোগ পরিবারের   •   ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর আশঙ্কায় সাগরে সতর্কতা! উপকূলে জোরদার মাইকিং, সমুদ্রে নামায় নিষেধাজ্ঞা   •   ভুবনেশ্বর কুমারের পাশে মর্নে মরকেল, ভারতের তারকা পেসারের প্রত্যাবর্তনে আশাবাদী বোলিং কোচ   •   অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা! দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে WTC27 নির্ণায়ক টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন স্টিভ স্মিথ   •   নতুন প্রোডাকশন হাউস ‘আলফানিয়ন স্টুডিওজ’-এর জমকালো উদ্বোধন, উপস্থিত মধুরিমা তুলি

ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে সাফাই কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টাকে ঘিরে চাঞ্চল্য, ডেপুটি সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগে তদন্ত শুরু

28 Jul 2026
11:53 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক-  দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে কর্মরত এক চুক্তিভিত্তিক সাফাই কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের ডেপুটি সুপারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, মানসিক নির্যাতন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ওই কর্মীর পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তালদি গ্রামের বাসিন্দা ও ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সাফাই কর্মী দীপাঞ্জন ঘটক রবিবার সন্ধ্যায় একসঙ্গে বহু ঘুমের ওষুধ সেবন করেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।

সোমবার দীপাঞ্জনের মা রানু ঘটক ক্যানিং থানায় হাসপাতালের ডেপুটি সুপার বসুমিতা আঢ্য-র বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে দীপাঞ্জনকে তাঁর নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে আহত রোগীদের সেলাই-ড্রেসিং, রক্তের নমুনা সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজ করানো হতো। প্রতিবাদ করলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হতো বলেও পরিবারের দাবি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালের কিছু অনিয়ম সম্পর্কে জানার পর এবং সে বিষয়ে আপত্তি তোলার কারণে গত কয়েক মাস ধরে দীপাঞ্জনের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। তাঁকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।

পরিবারের দাবি, সংসারের আর্থিক দায়িত্ব ও অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও কোনও সহানুভূতি দেখানো হয়নি। এমনকি তাঁকে আত্মহত্যা করতে বলা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এই অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত ডেপুটি সুপার বসুমিতা আঢ্যের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কথা বলতে রাজি হননি এবং ফোন বা বার্তারও উত্তর দেননি। হাসপাতালের সুপার অপূর্বলাল সরকারও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং ফরেনসিক ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আইনগতভাবে প্রমাণিত বলে গণ্য হবে না।