নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পুজোকে কেন্দ্র করে রাজনীতির প্রসঙ্গ নিয়ে সরব হলেন এক রাজনৈতিক নেতা। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মধ্যে রাজনীতি আনার পক্ষপাতী তাঁরা নন। বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত, “কাদের রাজনীতিতে পুজো ঢুকে গেছে?”
বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা পুজোর মধ্যে রাজনীতি আনতে চাই না।” একইসঙ্গে বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রসঙ্গ তুলে ‘রবিঠাকুরের দেশে’ একসময় ‘শনি ঠাকুর’-এর প্রাধান্য দেখা গিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতি কারা তৈরি করেছিল?
এ প্রসঙ্গে তিনি সিটু পরিচালিত রিকশাচালক ইউনিয়ন-এর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, একসময় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ধর্মীয় ও সামাজিক পরিসরেও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের প্রভাব দেখা যেত।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দেখতে পাচ্ছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকর্মা পুজো সিটু করছে—এটিও একটি বড় পরিবর্তন। অর্থাৎ, যে রাজনৈতিক পরিসরে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে ভিন্ন অবস্থান দেখা যেত, সেখানেও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি তাঁর।
শেষে বামেদের রাজনৈতিক সদর দফতর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন তাঁরা শুধু দেখতে চান, “আলিমুদ্দিনে কবে সরস্বতী পুজো আর লক্ষ্মী পুজো শুরু হবে।”
তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুজো ও রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে এই বক্তব্য আসন্ন উৎসবের মরশুমে রাজনৈতিক তরজায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।