Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
অনুপ্রবেশকারী হটাও, গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানে বারুইপুরে বিজেপির মেগা জনসভা! ৩০ অক্টোবর রবীন্দ্র ভবন ময়দানে বড় জমায়েতের প্রস্তুতি   •   বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ক্ষোভের আগুন! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ঘিরে বিতর্ক, পরাজিত প্রার্থীকে পাশে পেয়ে প্রশ্ন তুলছেন নিচুতলার কর্মীরা   •   মুরগি দিন, নতুবা দেড় হাজার টাকা ফেরত দিন! লক্ষ্মী মেলার উদ্বোধনে বিক্ষোভের মুখে বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা ভাঙ্গি   •   তৃণমূলের অন্দরে ফের রাজনৈতিক জল্পনা! ঋতব্রত-শিবির ছেড়ে কি মমতার দিকে ফিরছেন একাধিক বিধায়ক?   •   দুর্গাপুজো-লক্ষ্মীপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ছট ও কালীপুজোর প্রস্তুতি, উৎসবের আবহে মাতোয়ারা বাংলা   •   কলকাতায় Theobroma-র এক্সক্লুসিভ প্রি-লঞ্চ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি সৌরসেনী মৈত্র! কী বললেন অভিনেত্রী?

বঙ্গ বিজেপির অন্দরে ক্ষোভের আগুন! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ঘিরে বিতর্ক, পরাজিত প্রার্থীকে পাশে পেয়ে প্রশ্ন তুলছেন নিচুতলার কর্মীরা

29 Oct 2026
07:00 PM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক ছবি ও পোস্টকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। দলের নিচুতলার একাংশের কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, রাজনৈতিক সংঘাতের মুখে পড়েছেন, ঘরছাড়া হয়েছেন বলে দাবি করেছেন এবং দলকে শক্তিশালী করতে নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের অনেকেই আজও সাংগঠনিক স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। অথচ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির পরাজিত প্রার্থী বিকাশ সর্দারের পাশে এমন কয়েকজনকে দেখা যাচ্ছে, যাঁদের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন দলেরই কিছু কর্মী। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক নেতৃত্ব কি নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ শুনছে? নাকি দলীয় ঐক্যের বার্তার আড়ালে চাপা পড়ে যাচ্ছে পুরনো লড়াইয়ের ইতিহাস?

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও পোস্টকে কেন্দ্র করে এই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে বলে দাবি কর্মীদের একাংশের। তাঁদের বক্তব্য, বিজেপিকে বাংলায় শক্তিশালী করার জন্য যাঁরা বছরের পর বছর কাজ করেছেন, তাঁদের রাজনৈতিক অবদান ও আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। অন্যদিকে, অন্য দল থেকে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে তাঁদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে দল গড়া কর্মীদের আক্ষেপ কি শুনবে নেতৃত্ব?

বঙ্গ বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, বাংলায় দলকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই মোটেও সহজ ছিল না। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে বহু কর্মীকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। কেউ ঘরছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন, কেউ হারিয়েছেন জমি-ভিটে, আবার কেউ প্রিয়জনকে হারানোর যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেছেন। এই অভিজ্ঞতাগুলিকেই তাঁরা দলের প্রতি নিজেদের দীর্ঘদিনের আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছেন।

কর্মীদের প্রশ্ন, যাঁরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে সংগঠনের কাজ চালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের রাজনৈতিক গুরুত্ব কি আজ যথাযথভাবে বিবেচিত হচ্ছে? দলের জন্য কাজ করেও যাঁরা কোনও পদ বা সাংগঠনিক দায়িত্ব পাননি, তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হওয়া কি অস্বাভাবিক?

তাঁদের একাংশের অভিযোগ, দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় সক্রিয় কর্মীদের মতামত সব সময় যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। নির্বাচনের আগে ও পরে সংগঠনের স্বার্থে কাদের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে, কারা দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে গুরুত্ব পাচ্ছেন এবং কাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে—এই বিষয়গুলির স্বচ্ছতা থাকা দরকার বলে তাঁরা মনে করছেন।

এই পরিস্থিতিতে বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক নেতৃত্বের কাছে তাঁদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিনের কর্মীদের আক্ষেপ কি সত্যিই শোনা হচ্ছে? নাকি নির্বাচনী রাজনীতির হিসাব-নিকাশের মধ্যে তাঁদের অবদান ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যাচ্ছে?

প্রবীর নস্করকে ঘিরে অভিযোগ, উঠছে আর্থিক লেনদেনের প্রশ্ন

বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে প্রবীর নস্করের নাম। বিজেপির কিছু কর্মীর অভিযোগ, তিনি একসময় তৃণমূল কংগ্রেসকে আর্থিকভাবে সাহায্য করতেন। এমনকী, বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিজেপিকে পরাজিত করার উদ্দেশ্যে তৃণমূলকে অর্থ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারীদের একাংশ।

এই অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন শিবিরের সঙ্গে অতীতে কারও যোগাযোগ বা আর্থিক সম্পর্ক থাকলে, পরবর্তী সময়ে তাঁর ভূমিকা কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে? বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক অতীত এবং বর্তমান ভূমিকা সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন।

শম্ভু শাউকে ঘিরে বিতর্ক, বিকাশ সর্দারের সঙ্গে একাধিক ছবির দাবি

বাসন্তী বিধানসভা এলাকার কাঁঠালবেড়িয়ার বাসিন্দা শম্ভু শাউকে ঘিরেও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির কিছু সক্রিয় কর্মী। তাঁদের দাবি, শম্ভু শাউ আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁদের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তিনি বাসন্তীর বিজেপির পরাজিত প্রার্থী বিকাশ সর্দারের হাত ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হন।

অভিযোগকারী কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিকাশ সর্দারের সঙ্গে শম্ভু শাউকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে দেখা গিয়েছে। তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে উপস্থিতি এবং বিকাশ সর্দারের পাশে বসে একাধিক বৈঠক বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে বলে তাঁদের বক্তব্য।

এই ছবিগুলিকে সামনে রেখেই কর্মীদের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির হয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের তুলনায় অন্য রাজনৈতিক শিবির থেকে আসা ব্যক্তিরা কি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন?

ফারুক লস্করকে নিয়েও পুরনো অভিযোগ সামনে আনছেন কর্মীরা

এই বিতর্কে আরও একটি নাম উঠে এসেছে ফারুক লস্করের। বিজেপির কিছু কর্মীর দাবি, তিনি একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সংগঠনের সভাপতি ছিলেন। তাঁর অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি কয়েকজন কর্মী ২০২১ সালের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছেন।

অভিযোগকারী বিজেপি কর্মীদের দাবি, ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বারুইপুরের দিকে যাওয়ার সময় সোনাখালি বাজারে তৃণমূলের একটি পার্টি অফিসের সামনে গাড়ি থামিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়েছিল। ওই ঘটনার সঙ্গে ফারুক লস্করের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তবে এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কর্মীদের আরও দাবি, বর্তমানে ফারুক লস্করকে বিকাশ সর্দারের সঙ্গে লাইভ সম্প্রচার, সাংবাদিক সম্মেলন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। এই উপস্থিতির ছবিগুলি ঘিরেই তাঁদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তাঁদের বক্তব্য, অতীতে রাজনৈতিক সংঘাতের অভিযোগের মুখে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বের সম্পর্ক কীভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, তা পরিষ্কার হওয়া দরকার। দলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা কর্মীদের কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।

ছবি কি শুধু রাজনৈতিক সৌজন্যের, নাকি বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও পোস্টগুলিকে কেন্দ্র করে বিজেপির কর্মীদের মধ্যে যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তার অন্যতম বিষয় হল রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার প্রকৃত অর্থ। কোনও নেতার সঙ্গে অন্য রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তির ছবি থাকলেই কি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়? নাকি এই ছবিগুলি কেবল বৈঠক, সৌজন্য বিনিময় কিংবা রাজনৈতিক যোগাযোগের মুহূর্ত তুলে ধরছে?

এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে ছবির প্রেক্ষাপট, সময়, স্থান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির উদ্দেশ্য জানা জরুরি। একই সঙ্গে কোনও ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কি না, তাঁকে কোনও সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কি না, অথবা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে দল কোনও ঘোষণা করেছে কি না, সেগুলিও যাচাই করা দরকার।

বিজেপির ক্ষুব্ধ কর্মীদের একাংশের আশঙ্কা, নির্বাচনের আগে যাঁরা দলের হয়ে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন, তাঁদের উপেক্ষা করে অন্যদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলে সংগঠনের ভিতরে অসন্তোষ বাড়তে পারে। 

নির্বাচনে পরাজয়ের পর সংগঠন নিয়ে নতুন প্রশ্ন

বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির পরাজিত প্রার্থী বিকাশ সর্দারকে ঘিরে এই বিতর্ক সামনে আসায় নির্বাচনের পর দলের সংগঠন কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। নির্বাচনে জয়-পরাজয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু নির্বাচনের পরে কর্মীদের সঙ্গে নেতৃত্বের সম্পর্ক, সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমি থেকে আসা ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির নীতি—এসব বিষয় সংগঠনের ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

বিজেপির কর্মীদের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘদিনের কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও অবদানকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে দলে আসা ব্যক্তিদের সম্পর্কেও স্বচ্ছ মূল্যায়ন থাকা উচিত। তাঁদের বক্তব্য, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে শুধু নির্বাচনী ফলের দিকে তাকালেই চলবে না; কর্মীদের আস্থা এবং পারস্পরিক বিশ্বাসও বজায় রাখতে হবে।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলিতে বিভিন্ন মতাদর্শ ও রাজনৈতিক পটভূমির মানুষ যোগ দিতে পারেন। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় পুরনো কর্মীদের উদ্বেগ এবং অভিযোগকে উপেক্ষা করা হলে সাংগঠনিক ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। 

বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্ব কি শুনবে নিচুতলার কর্মীদের কথা?

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—দলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা কর্মীদের রাজনৈতিক অবদান কি যথাযথভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে? যাঁরা পদ বা দায়িত্ব না পেয়েও সংগঠনের কাজ চালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের অভিযোগ ও অভিজ্ঞতা কি নেতৃত্বের কাছে পৌঁছচ্ছে?

বিজেপির কর্মীদের একাংশের দাবি, দলের সাংগঠনিক নেতৃত্বের উচিত অভিযোগগুলি গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকৃত পরিস্থিতি পরিষ্কার করা। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট বা বিচ্ছিন্ন ছবির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে বিষয়গুলির নিষ্পত্তি হওয়া দরকার বলেও মনে করছেন তাঁরা।

প্রবীর নস্কর, শম্ভু শাউ এবং ফারুক লস্করকে ঘিরে যে অভিযোগগুলি সামনে এসেছে, সেগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং দলীয় নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে বিতর্কের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে বিকাশ সর্দারের অবস্থান ও এই ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, বঙ্গ বিজেপির অন্দরে এই বিতর্ক কেবল কয়েকটি ছবি বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বিষয় নয়; এটি দলের নিচুতলার কর্মীদের স্বীকৃতি, রাজনৈতিক আস্থা এবং সাংগঠনিক স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের প্রতিফলন। অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সকলের বক্তব্য সামনে এলেই বোঝা যাবে, এই অসন্তোষ কতটা বাস্তব সাংগঠনিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন নজর বিজেপির নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার দিকে—তারা কি কর্মীদের প্রশ্নের জবাব দেবে, নাকি এই বিতর্ক সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে?