Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
দক্ষিণবঙ্গে কোথাও বৃষ্টি, কোথাও রোদ! বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে ভিজল একাধিক জেলা, আগামীকাল থেকে আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনা   •   পশ্চিমবঙ্গে AIIMS হোক, আমরাও চাই, কিন্তু আগে ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি: অধীর রঞ্জন চৌধুরী   •   পলি মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ, কম খরচে বেশি ফলনের আশায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা   •   কালীপুজো, ছট পুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে বিশেষ সতর্কতা, নিরাপত্তা ও নাগরিক পরিষেবা নিশ্চিত করতে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের উদ্যোগে প্রস্তুতি   •   ২ নভেম্বর কলকাতায় বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মহামিছিল, প্রস্তুতি বৈঠকে রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা   •   ক্যানিং পূর্বে বড় ব্যবধানে হার, তবুও বাসন্তী বিধানসভার ইনচার্জ অসীম সাপুই! জেলা বিজেপি সভাপতির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্নের মুখে সাংগঠনিক নেতৃত্ব

রামেশ্বরপুরে ১১ বছরে পা দিল সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো, চতুর্থী থেকে দশমী উৎসবে মেতে গ্রামবাসী

15 Sep 2026
04:57 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক :  দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি ব্লকের গাজীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম রামেশ্বরপুর। বছরের অন্যান্য সময়ের মতোই চতুর্থী থেকে দশমী পর্যন্ত সিদ্ধিদাতা গণেশকে ঘিরে উৎসবে মেতে ওঠেন গ্রামের মানুষ। এবছর এই পুজো ১১ বছরে পা দিয়েছে।

গ্রামের এক প্রান্তে তৈরি হয়েছে বিশাল মণ্ডপ। সেখানে সাড়ম্বরে সাজিয়ে পূজিত হচ্ছেন সিদ্ধিদাতা গণেশ। প্রবীণ থেকে নবীন—গ্রামের মানুষের হাত ধরেই গত ১১ বছর ধরে চলে আসছে এই পুজো। বিশেষ করে গণেশকে ঘিরে কচিকাঁচাদের উৎসাহ ও আনন্দ চোখে পড়ার মতো।

পুজোর কয়েকটি দিন ধরে খিচুড়ি ভোগ বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তাদের দাবি, রামেশ্বরপুরে সারা বছরই নানা উৎসব ও ধর্মীয় কর্মসূচিতে গ্রামের মানুষ একসঙ্গে অংশ নেন। তবে সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজোকে ঘিরে আনন্দের মাত্রা থাকে অন্যরকম। আট থেকে আশি—সব বয়সের মানুষই এই উৎসবে সামিল হন।

এই পুজোর বিশেষত্ব হল, এখানে তিথি মেনে সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো করা হয়। উদ্যোক্তাদের মতে, গণেশ পুজোর পরই গ্রামে অন্যান্য পুজো ও উৎসবের সূচনা হয়। শুধু পুরুষরাই নন, গ্রামের মহিলারাও চতুর্থী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজোর বিভিন্ন আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

রামেশ্বরপুর মূলত কৃষিনির্ভর গ্রাম। খেটে খাওয়া মানুষের সংখ্যাই এখানে বেশি, ব্যবসায়ী রয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন। কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল এই গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করেন, সিদ্ধিদাতা গণেশ তাঁদের জীবনে মঙ্গল, সমৃদ্ধি ও উপার্জনের পথ প্রশস্ত করবেন।

গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, সিদ্ধিদাতা গণেশ বাধাবিঘ্ন দূর করে সাফল্যের পথ দেখান। তাই শুধু ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, নিজেদের জীবিকা ও ভবিষ্যতের মঙ্গল কামনাতেও গণেশ পুজোকে ঘিরে একত্রিত হন রামেশ্বরপুরের মানুষ।

১১ বছরে পা দেওয়া এই পুজোকে ঘিরে তাই রামেশ্বরপুরে এখন উৎসবের আমেজ। সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদে গ্রামের মানুষের জীবন ও জীবিকায় আরও সমৃদ্ধি আসবে—এই আশাতেই পুজোর দিনগুলিতে আনন্দে মেতে উঠছেন আট থেকে আশি।