Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
পালাবদলের পর পঞ্চায়েত-পুরসভায় ক্ষমতার নতুন সমীকরণ! দুর্নীতির অভিযোগ, দলবদল নাকি রাজনৈতিক প্রভাব—কোন পথে এগোবে বাংলার নতুন রাজনীতি?   •   তৃণমূলের হাতছাড়া চাঁদপুর-চৈতন্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েত! অনাস্থায় অপসারিত অনিতা পাইক, নতুন প্রধান বিজেপির শ্যামলী হালদার   •   একটি মুরগির বুকের মাংস থেকে কতটা প্রোটিন পাওয়া যায়? পেশি গঠন থেকে ওজন নিয়ন্ত্রণ, জানুন পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা   •   সকালে জল পান করার আগেই কফি? রক্তচাপের উপর কী প্রভাব পড়ে, জানুন বিশেষজ্ঞদের মত   •   জিম্বাবোয়ে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার! আইসিসি ওয়ানডে বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ে ৫৩ ধাপ এগোলেন ভারতের তরুণ স্পিনার বৈষ্ণবী শর্মা   •   উত্তরবঙ্গের বন্ধ ও অচল চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তা, উৎসবে ৫ হাজার টাকা ও পরিবার পিছু ৫০ কেজি চাল দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

নারী স্বনির্ভরতা ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর, ‘সশক্ত সখী, সমৃদ্ধ ভারত’ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিলীপ ঘোষের

05 Aug 2026
09:26 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  নারী স্বনির্ভরতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যকে সামনে রেখে কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল জাতীয় মহিলা কমিশনের উদ্যোগে ‘সশক্ত সখী, সমৃদ্ধ ভারত’ কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শক্তি হল নারীর ক্ষমতায়ন। শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং আর্থিক স্বনির্ভরতার মাধ্যমে নারীদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, আত্মনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের মহিলাদের দক্ষতা উন্নয়ন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রসার এবং উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিরা নারী শিক্ষা, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল নারী উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মীদের সম্মানিত করা হয় এবং নারী উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় মহিলা কমিশনের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার বার্তা আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়া।