Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
বাসন্তীতে তেরঙ্গা যাত্রায় জনসমুদ্র, প্রদীপ সর্দারের নেতৃত্বে বিশাল পদযাত্রা   •   গেরুয়া রং নিয়ে বিতর্ক, একাডেমির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শমীক ভট্টাচার্য   •   আগে অনেক পুরুষের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতো, এবার কড়া যাচাইয়ের পরই মিলবে সরকারি সহায়তা:   •   অভয়ার মামলায় গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ওড়িশার সম্বলপুর থেকে ধরা পড়লেন   •   শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশা: পরিকাঠামোর অভাবে চরম দুর্ভোগ, আশ্বাস বিধায়কের   •   সমুদ্র উত্তাল, নদী ফুলেফেঁপে উঠছে, জলের তলায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা

মহেশতলা পৌরসভায় বিক্ষোভ, চেয়ারম্যান দুলাল দাসকে ঘিরে \'চোর চোর\' স্লোগান

31 Jul 2026
08:57 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা পৌরসভায় বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে এবং কাউন্সিলরদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না—এই অভিযোগ তুলে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে ডেপুটেশন জমা দিতে আসে সিপিএম নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা।

বাটার মোড় থেকে মিছিল শুরু করে বিক্ষোভকারীরা মহেশতলা পৌরসভায় পৌঁছান। সেখানে চেয়ারম্যান দুলাল দাসের সঙ্গে প্রতিনিধিদলের আলোচনা চলাকালীন বাগ্‌বিতণ্ডার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ। এরপর চেয়ারম্যানের ঘর থেকে বেরিয়ে পৌরসভার সামনে বিক্ষোভে সামিল হন সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা।

পরে চেয়ারম্যান দুলাল দাস পৌরসভা থেকে বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান তোলেন বিক্ষোভকারীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছুক্ষণের জন্য এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়।

সিপিএমের অভিযোগ, মহেশতলা পৌরসভার একাধিক কাউন্সিলর সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকছেন। ফলে পানীয় জল, নিকাশি, রাস্তা মেরামতসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত রয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই তাঁরা ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন বলে দাবি দলের নেতৃত্বের।

অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মহেশতলা পৌরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাস। তাঁর বক্তব্য, "আমরা মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছি। বিরোধীরা সেই উন্নয়ন দেখতে চায় না বলেই এ ধরনের অভিযোগ করছে।"

ঘটনার পর রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। তবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য সামনে আসেনি। উভয় পক্ষের দাবিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

news home ads