Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
নদীর চর কি সুন্দরবনবাসীর আশীর্বাদ, নাকি অভিশাপ? মুড়িগঙ্গা ও গোসাবার দুর্ঘটনা ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন   •   মগরাহাট পশ্চিমে রাজবল্লভপুর বাজারের বিজেপি কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শুনলেন দলীয় কার্যকর্তারা   •   জিও আইপিও ঘিরে আগ্রহ, টেলিকম পরিষেবার বাইরেও বিস্তৃত ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনা   •   নিয়ামতপুর বাজারে ফুড সেফটি দফতর ও পুলিশের যৌথ অভিযান, ফেলে দেওয়া হল মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা ও রং মেশানো খাবার   •   আমতা-২-এর ‘লক্ষ্মীগ্রাম’ খালনায় ঐতিহ্যবাহী কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর উদ্বোধন, উপস্থিত মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও লকেট চট্টোপাধ্যায়   •   দাসপুরের সাগরপুরে ৭৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো ও শারদ মেলার উদ্বোধন, উপস্থিত পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ

সম্পাদকীয়: বারুইপুরের রেশ কাটতে না কাটতেই জয়নগর—নারী ও শিশু নিরাপত্তা নিয়ে আরও কত প্রশ্ন?

27 Jul 2026
04:07 AM

 

বারুইপুরে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনার অভিঘাত এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই জয়নগরে এক বৃদ্ধাকে হেনস্থার অভিযোগে এক যুবককে আটকের ঘটনা আবারও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একের পর এক এমন ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এমন ধারণা সমাজে তৈরি হলে তা প্রশাসনের জন্যও উদ্বেগের বিষয়। প্রতিটি অভিযোগের দ্রুত তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হলে তবেই মানুষের আস্থা ফিরে আসতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তবে কোনও ঘটনার তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও উচিত নয়। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আদালতের বিচার প্রক্রিয়াই প্রকৃত সত্য সামনে আনতে পারে।

একই সঙ্গে সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বা হেনস্থার ঘটনা দেখলে তা গোপন না রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত জানানো, ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

একটি সভ্য সমাজে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা কোনও রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হতে পারে না; এটি হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি, দ্রুত বিচার এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা—এই তিনটির সমন্বয়েই মানুষের নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হতে পারে।