নিজস্ব প্রতিনিধি,জেলার বার্তা ডেস্ক- বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, তাপমাত্রার ওঠানামা এবং বাতাসে আর্দ্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শিশুদের মধ্যে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ সংক্রমণও ধরা পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ শিশুর উপসর্গ হালকা হলেও যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, হাঁপানি বা অন্য ফুসফুসজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা জরুরি।
চিকিৎসকদের মতে, বর্ষাকালে শুধু করোনা নয়, রাইনোভাইরাস, আরএসভি (RSV), ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং অন্যান্য ভাইরাসও দ্রুত ছড়ায়। অনেক সময় উপসর্গ প্রায় একই হওয়ায় শুধুমাত্র লক্ষণ দেখে কোন ভাইরাসে সংক্রমণ হয়েছে তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।
টানা জ্বর
শুকনো বা কফযুক্ত কাশি
শ্বাস নিতে কষ্ট বা দ্রুত শ্বাস
বুকে চাপ অনুভব
অতিরিক্ত ক্লান্তি
খাওয়ায় অনীহা
শিশু অস্বাভাবিক নিস্তেজ হয়ে পড়া
নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করান।
ভিড় বা অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
ঘরের পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন।
সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত জল ও বিশ্রাম দিন।
প্রয়োজনীয় টিকাকরণ সময়মতো সম্পূর্ণ করুন।
জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট বাড়লে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্ষাকালে করোনা ছাড়াও নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, হাঁপানির প্রকোপ এবং ডেঙ্গু-সহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই শিশুর সামান্য জ্বর বা কাশিকেও অবহেলা না করে প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।
সতর্কবার্তা: এই প্রতিবেদনটি জনস্বাস্থ্য-সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। কোনো শিশুর শ্বাসকষ্ট, অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর বা অন্য গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতাল বা শিশু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।