Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
২০২৬ আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ: মহিলা কৃষকদের সম্মান ও মৎস্যজীবীদের অধিকারের দাবিতে রানী রাসমণি রোডে ভারতীয় কিষাণ সংঘের সমাবেশ   •   বিজয়া সম্মিলনী উপলক্ষে মন্দিরবাজার থানায় অঙ্কন প্রতিযোগিতা, অংশ নিলেন প্রায় ১০০ জন প্রতিযোগী   •   নীল-সাদা ছেড়ে গেরুয়া সাজে নতুন রূপে ফলতা বিডিও অফিস! ‘মডেল ফলতা’ গড়ার বার্তা বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার   •   কাশীপুরে বাসিন্দাদের একাধিক অভিযোগ, মাদক ও মদ্যপানের সমস্যা খতিয়ে দেখতে পুলিশকে নির্দেশ অগ্নিমিত্রা পালের   •   কাশীপুরের পরিচ্ছন্নতা খতিয়ে দেখলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, রাস্তা পরিষ্কার ও আবর্জনা অপসারণে জোর   •   সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি! কলকাতা-সহ কোথায় কোথায় ভিজছে বাংলা, সারাদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

নীল-সাদা ছেড়ে গেরুয়া সাজে নতুন রূপে ফলতা বিডিও অফিস! ‘মডেল ফলতা’ গড়ার বার্তা বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার

29 Oct 2026
05:56 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: উন্নয়নের নতুন ছোঁয়ায় নতুন রূপে সেজে উঠেছে ফলতা বিডিও অফিস। দীর্ঘদিনের পরিচিত সরকারি ভবনকে নতুন রঙে সাজিয়ে এলাকার উন্নয়নের এক নতুন ছবি তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের। নীল-সাদা রঙের পরিবর্তে গেরুয়া সাজে সজ্জিত ফলতা বিডিও অফিসকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা। এই পরিবর্তনকে সামনে রেখেই ফলতাকে একটি আদর্শ বিধানসভা কেন্দ্র বা ‘মডেল ফলতা’ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা।

বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় ৪৯ বছর ধরে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা পূর্ববর্তী সরকারের আমলে ফলতা বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন প্রত্যাশিত গতি পায়নি। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের ঘাটতি ছিল। নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই ফলতার পরিকাঠামো ও সরকারি পরিষেবার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেই ফলতা বিডিও অফিসকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার বিষয়টি সামনে এসেছে।

নতুন রূপে ফলতা বিডিও অফিস, উন্নয়নের বার্তা

সরকারি দফতর সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসনিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিডিও অফিস থেকে গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, সরকারি প্রকল্প এবং প্রশাসনিক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একাধিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফলে এই দফতরের পরিকাঠামো ও পরিবেশ সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ফলতা বিডিও অফিসের নতুন রূপকে সামনে রেখে এলাকার উন্নয়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভবনের রং পরিবর্তনের পাশাপাশি সরকারি দফতরের পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং সাধারণ মানুষের সুবিধা কতটা বাড়ছে, তা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, ফলতাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, যে এলাকা দীর্ঘদিন উন্নয়নের নিরিখে পিছিয়ে ছিল বলে তিনি মনে করেন, সেই এলাকাকেই এবার উন্নয়নের মডেল হিসেবে তুলে ধরার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

‘মডেল ফলতা’ গড়ার স্বপ্ন

ফলতাকে একটি মডেল বিধানসভা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই উন্নয়নের বার্তা দিতে চাইছেন বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ফলতার সার্বিক উন্নয়ন, সরকারি পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ এবং মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

একটি বিধানসভা কেন্দ্রকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে শুধু সরকারি ভবনের বাহ্যিক সৌন্দর্যবৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। উন্নত রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং সরকারি প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মতো বিষয়গুলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিক থেকে ‘মডেল ফলতা’ গড়ার দাবি কতটা বাস্তবায়িত হয়, তা নির্ভর করবে আগামী দিনে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতির উপর।

স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, নতুন সাজে সেজে ওঠা বিডিও অফিসের পাশাপাশি সরকারি পরিষেবার মানও আরও উন্নত হবে। প্রশাসনিক কাজে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমবে এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সহজে পাওয়া যাবে—এমনটাই আশা এলাকার বাসিন্দাদের।

নীল-সাদা থেকে গেরুয়া, রং বদল ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা

ফলতা বিডিও অফিসের রঙের পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। আগের নীল-সাদা রঙের পরিবর্তে গেরুয়া রঙে ভবনটি সাজিয়ে তোলার বিষয়টি নতুন সরকারের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন অনেকে।

বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার বক্তব্য, নতুন সরকারের আমলে ফলতার উন্নয়নে গতি এসেছে। তাঁর দাবি, এলাকার উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে এবং ফলতাকে একটি বিশেষ পরিচিতি দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

তবে সরকারি ভবনের রং পরিবর্তনের পাশাপাশি উন্নয়নের বাস্তব ফলাফলও গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার বাসিন্দারা কতটা উন্নত নাগরিক পরিষেবা পাচ্ছেন, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা কতটা সহজে তাঁদের কাছে পৌঁছচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলির কতটা সমাধান হচ্ছে—এই বিষয়গুলির উপরই শেষ পর্যন্ত উন্নয়নের মূল্যায়ন নির্ভর করবে।

নতুন সরকারের আমলে উন্নয়নের দাবি

নতুন সরকার গঠনের পর ফলতায় উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিধায়ক। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণ করে ফলতাকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ফলতা বিডিও অফিসের নতুন রূপকে সামনে আনা হচ্ছে।

প্রশাসনিক ভবনকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার মাধ্যমে এলাকার মানুষের মধ্যে উন্নয়ন সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। তবে এই পরিবর্তন কতটা কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট হবে পরবর্তী সময়ে সরকারি পরিষেবা ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বাস্তব চিত্র থেকে।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতার বার্তা বিধায়কের

ফলতাকে ‘মডেল ফলতা’ হিসেবে তুলে ধরার উদ্যোগের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর বক্তব্য, ফলতাকে উন্নয়নের একটি নতুন পরিচিতি দেওয়ার লক্ষ্যেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, নতুন রঙে সেজে ওঠা ফলতা বিডিও অফিসকে ঘিরে উন্নয়নের দাবি এবং রাজনৈতিক চর্চা—দুই-ই সামনে এসেছে। বিধায়কের বক্তব্যে ফলতাকে মডেল বিধানসভা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্নের কথা উঠে এসেছে। এখন দেখার, এই নতুন উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান এবং সরকারি পরিষেবার উন্নয়ন কতটা বাস্তব রূপ পায়।