নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দিনের কোন সময় ব্যায়াম করছেন, তা আপনার শরীরের শক্তি, কর্মক্ষমতা এবং পেশী গঠনের ক্ষেত্রে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যায়ামের সময় নির্ধারণের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে শরীরচর্চা করা।
সকালে ব্যায়াম করলে দিনের শুরুতেই শরীর সক্রিয় হয়ে ওঠে। অনেকের ক্ষেত্রে সকালে শরীরচর্চা করার ফলে দিনের বাকি সময়ে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার অভ্যাস তৈরি হয়। আবার সকালে ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ঘুম ও শরীরকে প্রস্তুত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে শরীরের তাপমাত্রা ও পেশির কার্যক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকতে পারে। ফলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই সময়ে শক্তি ও ব্যায়ামের পারফরম্যান্স ভালো হতে পারে। বিশেষ করে শক্তিবর্ধক বা পেশী তৈরির ব্যায়ামে সময়ের এই পার্থক্য কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে সবার শরীরের ঘড়ি বা দৈনন্দিন রুটিন এক নয়। কারও জন্য সকাল উপযুক্ত, আবার কারও ক্ষেত্রে সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা বেশি সুবিধাজনক। তাই নির্দিষ্ট একটি সময়কেই সবার জন্য সেরা বলে ধরে নেওয়ার পরিবর্তে নিজের কাজের সময়সূচি, ঘুম এবং শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে মিলিয়ে ব্যায়ামের সময় ঠিক করা বেশি বাস্তবসম্মত।
ব্যায়ামের সুফল পেতে নির্দিষ্ট সময়ের পাশাপাশি নিয়মিততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঝে মাঝে দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করার চেয়ে নিজের পক্ষে সম্ভব এমন একটি সময় বেছে নিয়ে নিয়মিত শরীরচর্চা করা বেশি কার্যকর হতে পারে।
শরীরচর্চার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামও পেশী গঠন ও সামগ্রিক ফিটনেসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তাই সকাল হোক বা সন্ধ্যা—আপনার জন্য যে সময়ে নিয়মিত ব্যায়াম করা সম্ভব, সেই সময়টিকেই রুটিনের অংশ করে তোলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।