নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কৃষিকাজে কম খরচে ভালো ফলনের লক্ষ্যে নতুন নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করছেন কৃষকেরা। তারই অন্যতম উদাহরণ রিলে পদ্ধতিতে মসুর চাষ। এই পদ্ধতিতে পূর্ববর্তী ফসল কাটার আগেই জমিতে মসুরের বীজ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। ফলে আলাদা করে জমি তৈরি বা চাষ করার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যায়।
রিলে পদ্ধতিতে মসুর চাষের অন্যতম সুবিধা হল, আগের ফসলের খড় জমিতে পড়ে থাকায় তা মাটির উপর একটি প্রাকৃতিক আবরণ তৈরি করে। এর ফলে জমিতে আগাছার বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হয়। পাশাপাশি মাটিতে আর্দ্রতা ধরে রাখতেও এই খড় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই পদ্ধতিতে জমি তৈরির জন্য অতিরিক্ত চাষের প্রয়োজন না থাকায় কৃষকদের শ্রম ও জ্বালানি খরচও কমে। ফলে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় মসুর চাষে উৎপাদন খরচ কমানোর সুযোগ থাকে।
কৃষকদের একাংশের মতে, কম খরচে ডালশস্য উৎপাদনের পাশাপাশি জমির অবশিষ্ট খড়কে কাজে লাগানোর কারণে রিলে পদ্ধতি কৃষিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় চাষের খরচ বেশি, সেখানে এই পদ্ধতি কৃষকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, স্থানীয় মাটি, আবহাওয়া ও পূর্ববর্তী ফসলের ধরন বিবেচনা করে উপযুক্ত সময়ে বীজ বপন করলে রিলে পদ্ধতিতে মসুর চাষ থেকে ভালো ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।