Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ

06 Nov 2026
02:37 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: অবশেষে কি বাংলায় শীতের আগমনী বার্তা? বর্ষার বিদায়ের পর ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। এবার কি তবে শীতের পথে আরও এক ধাপ এগোচ্ছে বাংলা? আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী শনিবার থেকেই ভোরের দিকে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নামতে পারে। উত্তরের ঠান্ডা হাওয়ার প্রভাবে রাজ্যের আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে শীতের ছোঁয়া অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আবহাওয়ার পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে উত্তরের ঠান্ডা হাওয়ার প্রবেশ। আজ থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত রাজ্যের কোথাও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বলেই ইঙ্গিত মিলছে। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে রাতের দিকে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত কমতে পারে। তার জেরেই আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ভোরের আবহাওয়ায় পরিবর্তন অনুভূত হতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। বিশেষ করে ভোরের দিকে তাপমাত্রার পারদ নেমে আসতে পারে ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। যদিও সব জেলায় একই রকম তাপমাত্রা থাকবে না, তবুও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়ায় শীতের হালকা আমেজ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল, খোলা মাঠ এবং শহর থেকে দূরে থাকা এলাকাগুলিতে ভোরের দিকে ঠান্ডার অনুভূতি বেশি হতে পারে। কালীপুজোর সকালে ঘুম থেকে উঠে বাইরে বেরোলেই হয়তো হালকা শীতের পরশ অনুভব করবেন সাধারণ মানুষ। রাতের দিকে এবং ভোরবেলায় হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় রোদের তেজ বজায় থাকতে পারে।

তবে এখনই জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়া পর্যবেক্ষকরা। নভেম্বরের শুরুতে তাপমাত্রার এই পরিবর্তনকে শীতের প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আগামী দিনে উত্তরের ঠান্ডা হাওয়ার প্রভাব কতটা বাড়ে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কতটা কমে, তার উপরই নির্ভর করবে শীতের আগমন কতটা দ্রুত হবে।

এদিকে আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন রাজ্যের সাধারণ মানুষ। গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে চাইছেন অনেকেই। বিশেষ করে সকাল ও রাতের দিকে মনোরম আবহাওয়া ফিরে এলে হাঁটতে বেরোনো, চায়ের আড্ডা কিংবা ভোরের কাজকর্মে মিলবে বাড়তি স্বস্তি।

সব মিলিয়ে, বাংলার আবহাওয়ায় এবার ধীরে ধীরে বদলের ইঙ্গিত। শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করলে কালীপুজোর সকালেই মিলতে পারে শীতের হালকা অনুভূতি। তবে এই ঠান্ডা কতদিন স্থায়ী হবে এবং আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কতটা নামবে, এখন সেদিকেই নজর আবহাওয়াপ্রেমীদের। তাহলে কি এবার সত্যিই বাংলায় শীতের আগমনী বার্তা বেজে গেল? সেই উত্তর দেবে আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া।