নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পবিত্র কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য এবং নির্বিঘ্নে তারামায়ের দর্শন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে একাধিক বিশেষ উদ্যোগ।
কৌশিকী অমাবস্যার প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সুবেন্দু অধিকারী নিজে উপস্থিত থেকে প্রশাসনের আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উৎসবের দিনগুলিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা ও পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারাপীঠ ও সংলগ্ন এলাকায় ওয়াচ টাওয়ার এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য অতিরিক্ত বাস ও ট্রেন পরিষেবার ব্যবস্থা, পাশাপাশি পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালীন অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখার কথাও জানানো হয়েছে।
এছাড়াও অসুস্থ বা আহত পুণ্যার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার স্বাস্থ্য শিবির রাখা হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে আগত প্রতিটি ভক্ত যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে তারামায়ের দর্শন করতে পারেন।
সরকারের পক্ষ থেকে মাতার সমস্ত ভক্তমণ্ডলীকে কৌশিকী অমাবস্যার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। প্রশাসনের এই সমন্বিত উদ্যোগে এবারের তারাপীঠের কৌশিকী অমাবস্যা আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।