Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
একাধিক দাবিতে জয়নগর-১ বিডিও অফিসে ডেপুটেশন, কুলপি রোড সংস্কার থেকে পানীয় জল ও ২০০ দিনের কাজের দাবি   •   পশ্চিম মেদিনীপুরে বাম দলগুলির এসপি অফিস অভিযান, পুলিশি ভূমিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ   •   সেবার রঙে, দেশের সঙ্গে—মানব আলপনায় জনসেবা ও জনকল্যাণের বার্তা নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে   •   আমি একা থাকতেই পছন্দ করি’—নারী পরিবর্তন মেকার সামিটে সম্মানিত লেখক-পরিচালক পারমিতা মুন্সি   •   ‘দ্য ক্যালকাটা ফাইলস’-এর ট্রেলার লঞ্চে হাজির লাবণী সরকার, রজতাভ, স্বাগতা ও পরিচালক সৌভিক   •   কিডনি ঠিকমতো ম্যাগনেসিয়াম বের করতে না পারলে কেন বাড়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি

ন্যায় সংহিতা কার্যকর না করা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা অমিত শাহের

22 Aug 2026
05:51 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক :  সারা দেশে নতুন ন্যায় সংহিতাগুলি কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গে তা কার্যকর করা নিয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে নতুন ন্যায় সংহিতার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।

অমিত শাহের দাবি, নতুন ন্যায় সংহিতা কার্যকর হলে রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সিন্ডিকেট, কাটমানি, তোলাবাজি এবং ভয়ের রাজনীতির অবসান ঘটবে। তাঁর বক্তব্য, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই নতুন আইনগুলি আনা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, এই আইন কার্যকর হলে বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ আরও কঠোর হবে। আর সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি করেন তিনি।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, দেশের অন্যান্য অংশে নতুন আইনি কাঠামো কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গে তা নিয়ে গড়িমসি করা হয়েছে।

অমিত শাহের অভিযোগ, “এই ন্যায় সংহিতা কার্যকর হলেই সিন্ডিকেট, কাটমানি, তোলাবাজি এবং ভয়ের সাম্রাজ্য ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে।” তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

নতুন ন্যায় সংহিতা কার্যকর করা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অমিত শাহের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ফের শুরু হয়েছে চাপানউতোর।