Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
হাসপাতালের বেডের রিয়েল-টাইম তথ্য আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ   •   মাঝ আকাশে বিপদ, অসাধারণ সাহসিকতায় ১৮০ যাত্রীর প্রাণরক্ষা: ক্যাপ্টেন স্মিতের ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন   •   অসাবধানতাবশত মল বেরিয়ে আসা বা ‘শার্ট’ কেন ঘটে? কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায়   •   দিনের শুরুতেই শরীরকে সক্রিয় রাখতে কার্যকর ব্যায়াম, মূল পেশির শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত হতে পারে শরীরের সমন্বয়   •   বক্সা টাইগার রিজার্ভে বাঘ পুনর্বাসন কর্মসূচি, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব   •   অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিউজিল্যান্ড দলে একাধিক নতুন মুখ

মালদহের গোপালপুরে ভয়াবহ গঙ্গাভাঙন, নদীগর্ভে বিঘার পর বিঘা জমি

18 Aug 2026
12:01 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: মালদহের গোপালপুরে ভয়াবহ গঙ্গাভাঙনে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। লাগাতার নদীভাঙনের জেরে বিঘার পর বিঘা চাষের জমি ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে মিলিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন নতুন করে নদীর পাড় ভাঙতে থাকায় নিজেদের ভিটেমাটি ও জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এলাকার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গঙ্গাভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধের ব্যবস্থা হয়নি। নদীর জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতাও বেড়েছে বলে দাবি তাঁদের। ফলে চাষের জমি হারানোর পাশাপাশি বসতবাড়ি নিয়েও তৈরি হয়েছে আশঙ্কা।

এদিকে পুরাতন মালদহ এলাকায় মহানন্দা নদীর চর বিক্রি নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তৃণমূলের নেতাদের মদতে মহানন্দার চর ও নদী সংলগ্ন জমি বিক্রির কারবার চলেছে। এমনকি নদীর চরও বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নদীভাঙন ও চর-জমি সংক্রান্ত অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে মালদহে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চর ও নদী সংলগ্ন জমি নিয়ে ওঠা অভিযোগেরও প্রশাসনিক তদন্ত করা হোক।

গঙ্গাভাঙনে জমি হারিয়ে এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় গোপালপুরের বহু পরিবার। প্রশাসন কবে স্থায়ী সমাধানের পথে এগোয়, সেদিকেই তাকিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।