Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
রক্তচাপ প্রাকৃতিকভাবে কমাতে হাঁটা, কখন হাঁটছেন তাতেও কি বদলায় উপকারের মাত্রা?   •   সকালে চিয়া বীজ খেলে মিলতে পারে ফাইবার ও প্রোটিন, হজমশক্তি থেকে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে উপকার   •   ফুটপাত কার? শহর, হকার ও প্রশাসনের টানাপোড়েনে আসল প্রশ্নটা কোথায়   •   বহরমপুরে তৃতীয় কাজী নজরুল ইসলাম স্মারক বক্তৃতা, আলোচনায় ভারতীয় চলচ্চিত্রের সাম্প্রদায়িকতা, বাজার ও জনপ্রিয়তা   •   কাঁথির শ্রীরামপুরে বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ আতশবাজি উদ্ধার, অভিযানের সময় পলাতক বাড়ির মালিক   •   সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি, যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে সরব ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা

স্বাধীনতা দিবসে ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্ক: সোনিয়ার নিন্দায় শুভেন্দু, চিঠি বঙ্কিমের প্রপৌত্রের

16 Aug 2026
10:28 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের সময় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমতও রয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস ও জাতীয় গানের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশাত্মবোধক গানকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি। শুভেন্দু এ বিষয়ে কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তুলেছেন।

অন্যদিকে, ‘বন্দে মাতরম’-এর রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের উত্তরসূরি এবং বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ও সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। চিঠিতে ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি কথিত অসম্মানের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে ‘বন্দে মাতরম’-এর রচনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গানটিকে ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার অনুষ্ঠানেও ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের বিশেষ আয়োজন ছিল।

ফলে স্বাধীনতা দিবসের আবহে ‘বন্দে মাতরম’কে ঘিরে এই বিতর্ক জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিজেপি-কংগ্রেসের রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে।