Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
দুর্দান্ত রান তাড়ায় হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে জয়ে শুরু মালয়েশিয়ার   •   মেমারিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন, ফার্মাসি কলেজের উদ্বোধনে দিলীপ ঘোষ   •   বার্নপুরের এ.বি. টাইপ পুজো কমিটির খুঁটি পুজোয় অগ্নিমিত্রা পাল   •   নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে ফের সরব অধীর, ২০২৪-এর ‘ডিসেন্ট’ প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন   •   নিউ টাউনে ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ভোটার লিস্টে আমার নাম ফিরিয়ে দাও ভোটাধিকার রক্ষায় ২৫ সেপ্টেম্বর CEO দপ্তর চলো: মীনাক্ষী

স্কুল স্তর থেকেই মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ জোরদারের উদ্যোগ, জানালেন অগ্নিমিত্রা পাল

10 Aug 2026
12:33 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : শুধু পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষাই নয়, বর্তমান সময়ে আত্মবিশ্বাস, মানসিক দৃঢ়তা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজ্যের স্কুলগুলিতে মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল।

অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য, কেবল পড়াশোনা, আঁকা বা নাচের মতো সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়; প্রতিটি মেয়ের আত্মরক্ষার কৌশল শেখা সময়ের দাবি। তাঁর মতে, আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ শুধু বিপদের সময় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে না, বরং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং মানসিক দৃঢ়তাও গড়ে তোলে।

তিনি জানান, সেই লক্ষ্যেই স্কুল স্তর থেকেই মেয়েদের জন্য আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ আরও সুসংগঠিতভাবে চালু ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছাত্রীদের শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নারী নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণকে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে মেয়েদের জন্য আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে বাস্তব পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার মৌলিক কৌশল শেখানো হয় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এ ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়মিত হলে ছাত্রীদের নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়বে এবং তারা যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।