Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
নবান্নে ‘লোকতন্ত্র সেনানী’ সম্মান: জরুরি অবস্থায় গ্রেফতার ৩২৫ জনকে সংবর্ধনা, মাসে ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ঘোষণা   •   ঘাটালের শ্যামচকে বন্যা পরিস্থিতি, প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা; জলের তলায় চাষের জমি ও বাড়িঘর   •   অভয়ার স্মরণ অনুষ্ঠানে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ন্যায়বিচারের বার্তা   •   জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে গোবিন্দপুরে শুরু ‘অল বেঙ্গল চেস প্রতিযোগিতা’, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ প্রতিভাবান দাবাড়ুদের   •   CREDAI Kolkata-র বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য   •   অন্ডালে এসটিএফের অভিযান, বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি; তদন্তের মুখে শেখ সামশের হোসেন

নবান্নে ‘লোকতন্ত্র সেনানী’ সম্মান: জরুরি অবস্থায় গ্রেফতার ৩২৫ জনকে সংবর্ধনা, মাসে ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ঘোষণা

09 Aug 2026
01:07 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,  জেলার বার্তা ডেস্ক : নবান্নে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার সময় গ্রেফতার হওয়া ৩২৫ জন গণতন্ত্র সংগ্রামীকে ‘লোকতন্ত্র সেনানী’ সম্মানে সম্মানিত করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এবং একাধিক কল্যাণমূলক সুবিধার ঘোষণা করেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, জরুরি অবস্থার সময় যাঁরা গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন এবং কারাবরণ করেছিলেন, তাঁদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতি দিতেই এই সম্মান প্রদান করা হয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন, সম্মানপ্রাপ্ত প্রত্যেক ‘লোকতন্ত্র সেনানী’কে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাঁরা রাজ্য সরকারের বাস পরিষেবায় বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা পাবেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,

“জরুরি অবস্থার সময় যাঁরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য লড়াই করেছিলেন, তাঁদের সংগ্রাম দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। বীর সেনানীদের আদর্শের উপর দাঁড়িয়েই আজকের রাজ্য সরকার এগিয়ে চলেছে। তাঁদের যোগ্য সম্মান বর্তমান সরকারের দেওয়া উচিত। উন্নয়নের পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা এখন তেরঙ্গা যাত্রার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার কাজ করছি।”

সরকারের এই উদ্যোগকে গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই স্বীকৃতিকে তাঁদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের মর্যাদা হিসেবে অভিহিত করেন।

রাজ্য সরকারের মতে, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষায় যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের যথাযথ সম্মান জানানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

news home ads