নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে কথিত দুর্নীতি ও তোলাবাজির মামলায় তদন্তে ফের বড় সাফল্য পেল কুলটি থানার পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতিতে এবার গ্রেফতার করা হয়েছে বাবলু ভান্ডারী নামে এক কথিত দালালকে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা নগদ, দুটি মোবাইল ফোন এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডায়রি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে এসিপি (কুলটি) জাভেদ হুসেনের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী কুলটি থানার চৌরঙ্গী ফাঁড়ি এলাকার চলবলপুর গ্রামে অভিযান চালায়। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর বাবলু ভান্ডারীর বাড়ি থেকে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন এবং একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে কুলটি থানার পুলিশ।
উল্লেখ্য, এই মামলায় এর আগেই রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে কর্মরত দুই মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর (এমভিআই) আধিকারিককে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত কথিত ‘মামা হোটেল’-এর মালিক অভিজিৎ ঘোষকেও এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন এবং ডায়রিগুলিতে চেকপোস্টে চলা কথিত অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও দুর্নীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। বাজেয়াপ্ত নথি এবং ডিজিটাল তথ্যের ফরেন্সিক বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং অর্থ লেনদেনের নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে তদন্তকারী দল।
পুলিশের দাবি, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আরও গ্রেফতার হতে পারে। রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে কথিত দুর্নীতির জাল ভেঙে ফেলতে তদন্তকারীরা একাধিক দিক খতিয়ে দেখছেন।
এই ঘটনায় শিল্পাঞ্চল জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, তদন্ত যত এগোবে, ততই এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।