Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
‘বাংলার বাড়ি’র নতুন নাম ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’, দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ বিতরণ শুরু   •   রামপুর এমভিআই দুর্নীতি মামলায় ফের বড় সাফল্য, গ্রেফতার কথিত দালাল বাবলু ভান্ডারী; উদ্ধার ৫ লক্ষাধিক টাকা   •   NDA শরিক ও নবনির্বাচিত সাংসদদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বাংলার উন্নয়ন নিয়ে বিশেষ বার্তা   •   ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার পঞ্চায়েত ডেভেলপমেন্ট দফতরের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার   •   মিঠুন চক্রবর্তীর অস্ত্রোপচার সফল, হাসপাতালে দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ক্যাগ রিপোর্টে আমফান ত্রাণে অনিয়মের অভিযোগ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরে আর্থিক সাহায্য নিয়ে প্রশ্ন

ক্যাগ রিপোর্টে আমফান ত্রাণে অনিয়মের অভিযোগ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরে আর্থিক সাহায্য নিয়ে প্রশ্ন

07 Aug 2026
08:11 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে আমফান ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতের নিয়ন্ত্রক ও মহালেখা পরীক্ষক (CAG)-এর রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছে, মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ দফতরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়ম ও আর্থিক গরমিলের ঘটনা সামনে এসেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, একই উপভোক্তাকে একাধিকবার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে। ক্যাগের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মোট ১,১৭৪ জন উপভোক্তা একাধিকবার সরকারি আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন, যা সরকারি সহায়তা বণ্টনের স্বচ্ছতা ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ক্যাগের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবী ও প্রাণিসম্পদ নির্ভর পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময় উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ে যথাযথ নজরদারির অভাব ছিল। এর ফলে একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার অর্থ বরাদ্দের অভিযোগ উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ বণ্টনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডেটাবেসের সমন্বয় এবং উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই আরও কঠোর হলে এ ধরনের অনিয়ম এড়ানো সম্ভব।

এদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ক্যাগের রিপোর্টকে সামনে এনে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ব্যাখ্যার দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের। সরকার কী অবস্থান নেয় এবং রিপোর্টে উল্লিখিত পর্যবেক্ষণ নিয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার।

news home ads