Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
১২ বছরেও বঞ্চিত জঙ্গলমহল, আদ্রা-মেদিনীপুর শাখায় লোকাল ট্রেনের দাবিতে ক্ষোভ   •   নাকড়াসোতায় ২.৪৯ কোটি টাকার OHR প্রকল্পের কাজের সূচনা অগ্নিমিত্রা পালের   •   শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে ‘সেবা সংকল্প অভিযান ২০২৬ নিউ টাউনে ‘সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এর সূচনা   •   ইনজুরিতে অনিশ্চিত নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার, ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে শঙ্কা   •   জয়নগরে বিজেপি বুথ সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ, তৃণমূল সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ   •   ধানের খোলপোড়া রোগে ফলন কমার আশঙ্কা, শুরুতেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ

ভাইপোর আপ্ত সহায়কের বাড়িতে CID, শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের চেষ্টা

05 Aug 2026
04:30 AM

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- শালবনির সরকারি জমি দুর্নীতি এবং ডেবরার চাকরি দুর্নীতির তদন্তে নতুন মোড়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে চলা দুই মামলার তদন্তভার জেলা পুলিশের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা (CID)। তদন্ত হাতে নেওয়ার পরই সিআইডি সুমিত রায়ের কলকাতার বাড়িতে গিয়ে আদালত-জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার চেষ্টা করে। 

সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে সরকারি জমি জাল নথির মাধ্যমে বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। অন্যদিকে, ডেবরা থানায় সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগেও তাঁর নাম উঠে এসেছে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করলেও, ডেবরার চাকরি দুর্নীতি মামলায় নির্দিষ্ট শর্তে স্বস্তি দেয়। 

মঙ্গলবার সিআইডির একটি দল সুমিত রায়ের টালিগঞ্জের মহাবীরতলা এলাকার বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তবে তাঁকে সেখানে পাওয়া যায়নি। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ ও আইন মেনেই অভিযুক্তকে খোঁজার কাজ চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

তদন্তকারীদের দাবি, শালবনি মামলায় সরকারি জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে জাল নথি তৈরির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেবরার চাকরি দুর্নীতির অভিযোগে অর্থ লেনদেন ও নিয়োগের প্রতিশ্রুতির বিষয়েও তদন্ত চলছে। এই দুই মামলার তদন্ত এখন সিআইডির হাতে থাকায় তদন্তে আরও গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অভিযোগগুলির বিচারাধীন অবস্থায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। 

news home ads