Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা, আইন ভাঙলে ভাঙা হবে বেআইনি নির্মাণ: অগ্নিমিত্রা পাল   •   স্কুলে স্কুলে চালু হচ্ছে ‘রিডিং কর্নার’, লাইব্রেরি গড়ার নির্দেশ রাজ্য সরকারের   •   খুনের মামলায় গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা বাগান গাজী, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশের জালে   •   লিলুয়ার ভার্মা কলোনিতে গুলি, মদের আসরে বচসার জেরে আহত যুবক   •   ১ অক্টোবর থেকে সরকারি কর্মীদের ৩৮% হারে ডিএ, রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি জারি   •   নবান্নের কাছে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, স্কুটার চালকের মৃত্যু

ভাইপোর আপ্ত সহায়কের বাড়িতে CID, শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের চেষ্টা

05 Aug 2026
04:30 AM

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- শালবনির সরকারি জমি দুর্নীতি এবং ডেবরার চাকরি দুর্নীতির তদন্তে নতুন মোড়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে চলা দুই মামলার তদন্তভার জেলা পুলিশের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা (CID)। তদন্ত হাতে নেওয়ার পরই সিআইডি সুমিত রায়ের কলকাতার বাড়িতে গিয়ে আদালত-জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার চেষ্টা করে। 

সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে সরকারি জমি জাল নথির মাধ্যমে বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। অন্যদিকে, ডেবরা থানায় সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগেও তাঁর নাম উঠে এসেছে। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করলেও, ডেবরার চাকরি দুর্নীতি মামলায় নির্দিষ্ট শর্তে স্বস্তি দেয়। 

মঙ্গলবার সিআইডির একটি দল সুমিত রায়ের টালিগঞ্জের মহাবীরতলা এলাকার বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি চালায়। তবে তাঁকে সেখানে পাওয়া যায়নি। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ ও আইন মেনেই অভিযুক্তকে খোঁজার কাজ চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

তদন্তকারীদের দাবি, শালবনি মামলায় সরকারি জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে জাল নথি তৈরির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেবরার চাকরি দুর্নীতির অভিযোগে অর্থ লেনদেন ও নিয়োগের প্রতিশ্রুতির বিষয়েও তদন্ত চলছে। এই দুই মামলার তদন্ত এখন সিআইডির হাতে থাকায় তদন্তে আরও গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অভিযোগগুলির বিচারাধীন অবস্থায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। 

news home ads