নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- ধর্মতলায় সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ঘটনার পর পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা রুজু করেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে, CJP-র ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তীব্র হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল থেকে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের ঝড় উঠেছে। বামপন্থী সংগঠনগুলির ভূমিকা, প্রতিবাদের অর্থের উৎস এবং আন্দোলনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনও হয়নি।
ঘটনার সময় কয়েকজন সাংবাদিক হেনস্থার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
অন্যদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA) কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংস্থার তরফে ৪৭ জন আধিকারিককে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
ধর্মতলার ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বিজেপি পাল্টা মিছিলের ডাক দিয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত এই মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসনও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।
সংঘর্ষে আহত কয়েকজন বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত। আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তাঁরা।
ধর্মতলার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্তি ও আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পরই প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের আশা।