Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
দুর্গাপুজো-লক্ষ্মীপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই ছট ও কালীপুজোর প্রস্তুতি, উৎসবের আবহে মাতোয়ারা বাংলা   •   কলকাতায় Theobroma-র এক্সক্লুসিভ প্রি-লঞ্চ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি সৌরসেনী মৈত্র! কী বললেন অভিনেত্রী?   •   পুরুলিয়ার কন্যা বাসন্তী মাহাতর সোনার ইতিহাস! রাঁচিতে সর্বভারতীয় পুলিশ তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় একাধিক পদক জয়, গর্বিত বাংলা   •   যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ তিন বিধায়কের, লখনউতে উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা   •   ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে দুর্যোগ! রাতভর ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পাকা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা   •   কামারপুকুরে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের হানা! মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে অভিযানে চাঞ্চল্য, ভেজাল রঙের সন্দেহে ফেলে দেওয়া হল বিরিয়ানি

পুরুলিয়ার কন্যা বাসন্তী মাহাতর সোনার ইতিহাস! রাঁচিতে সর্বভারতীয় পুলিশ তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় একাধিক পদক জয়, গর্বিত বাংলা

29 Oct 2026
11:54 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম আর নিরলস অনুশীলন যে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে, তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পুরুলিয়ার বরাবাজারের মেয়ে বাসন্তী মাহাত। রাঁচির খেলগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় পুলিশ তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে একাধিক পদক জয় করেছেন তিনি। ব্যক্তিগত বিভাগ থেকে দলগত প্রতিযোগিতা—একাধিক বিভাগে তাঁর সাফল্যে গর্বিত পুরুলিয়া জেলা তথা পশ্চিমবঙ্গ। প্রত্যন্ত গ্রামের মাটি থেকে উঠে এসে জাতীয় স্তরের মঞ্চে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখলেন এই তিরন্দাজ।

পুরুলিয়ার বরাবাজার ব্লকের রানসি গ্রামের বাসিন্দা বাসন্তী মাহাত আবারও প্রমাণ করলেন, প্রতিভা কখনও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কাছে হার মানে না। সুযোগ, সঠিক প্রশিক্ষণ এবং কঠোর পরিশ্রমকে সঙ্গী করে কীভাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করা যায়, তাঁর ক্রীড়াজীবন তারই উদাহরণ। রাঁচির খেলগাঁওয়ে ২০২৬ সালের ২২ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় পুলিশ তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় CISF-এর হয়ে অংশগ্রহণ করে একাধিক পদক জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি।

প্রতিযোগিতায় ব্যক্তিগত ও দলগত—উভয় বিভাগেই বাসন্তীর পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর এই সাফল্য শুধু পরিবারের মুখে হাসি ফোটায়নি, বরং বরাবাজারের রানসি গ্রাম থেকে শুরু করে গোটা পুরুলিয়া জেলার মানুষের কাছেও গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে। রাজ্যের ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছেও বাসন্তীর এই সাফল্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ক।

রাঁচির মঞ্চে পদকের বন্যা, একের পর এক সাফল্য বাসন্তীর

রাঁচির খেলগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় পুলিশ তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় বাসন্তী মাহাতর পদক তালিকা বেশ সমৃদ্ধ। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দূরত্বের বিভাগে এবং দলগত ইভেন্টে তাঁর সাফল্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাসন্তীর পদক তালিকায় রয়েছে—

  • প্রথম ৭০ মিটার পর্ব: সোনা।

  • দ্বিতীয় ৭০ মিটার পর্ব: সোনা।

  • ৫০ মিটার বিভাগ: দুটি পদক।

  • সামগ্রিক ফলাফল বা ওভারঅল বিভাগ: সোনা।

  • দলগত বিভাগ: ব্রোঞ্জ।

  • মিশ্র দলগত বিভাগ: সোনা।

এই সাফল্যের তালিকা থেকেই বোঝা যায়, প্রতিযোগিতার একাধিক বিভাগে নিজের দক্ষতা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন বাসন্তী। ব্যক্তিগত ইভেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলগত প্রতিযোগিতাতেও তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তিরন্দাজির মতো খেলায় লক্ষ্যভেদ করতে প্রয়োজন অসাধারণ মনোসংযোগ, নিখুঁত কৌশল, শারীরিক সক্ষমতা এবং মানসিক দৃঢ়তা। প্রতিটি তির ছোড়ার সময় সামান্য ভুলও ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সেই কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে একাধিক পদক অর্জন বাসন্তীর প্রস্তুতি ও দক্ষতার পরিচয় বহন করে।

বিশেষ করে ৭০ মিটারের দুই পর্বে সোনা এবং সামগ্রিক বিভাগে স্বর্ণপদক জয় তাঁর সাফল্যের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। মিশ্র দলগত বিভাগেও সোনা জিতে তিনি দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে প্রাপ্ত বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।

বরাবাজারের ‘লক্ষ্য’ থেকে শুরু স্বপ্নের যাত্রা

আজ জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করলেও বাসন্তীর যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল পুরুলিয়ার মাটিতেই। বরাবাজার ব্লকের রানসি গ্রামের এই মেয়ের তিরন্দাজি প্রশিক্ষণের হাতেখড়ি ২০১৮ সালে বরাবাজারের তিরন্দাজি অ্যাকাডেমি ‘লক্ষ্য’-তে।

খেলাধুলার জগতে প্রতিভার পাশাপাশি প্রাথমিক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। ছোটবেলায় সঠিক দিশা পাওয়া, নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ এবং দক্ষ প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধান একজন ক্রীড়াবিদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। বাসন্তীর ক্ষেত্রেও প্রাথমিক প্রশিক্ষণের এই পর্যায় তাঁর ক্রীড়াজীবনের ভিত্তি তৈরি করে দেয়।

এর পর ২০১৯ সালে কলকাতার সল্টলেকে অবস্থিত স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা SAI কেন্দ্রে উন্নত প্রশিক্ষণ শুরু করেন তিনি। উন্নত পরিকাঠামো, নিয়মিত অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলার সুযোগ তাঁর ক্রীড়াজীবনে নতুন দিশা দেখায়।

সেই শুরু থেকে ধাপে ধাপে এগিয়ে চলেছেন বাসন্তী। স্থানীয় স্তর থেকে বড় প্রতিযোগিতার মঞ্চে পৌঁছনোর এই যাত্রা একদিনে তৈরি হয়নি। এর পিছনে রয়েছে বছরের পর বছর অনুশীলন, পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকার মানসিকতা।

জাতীয় মঞ্চ পেরিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও সাফল্য

রাঁচির সাম্প্রতিক সাফল্য বাসন্তী মাহাতর ক্রীড়াজীবনের একমাত্র উল্লেখযোগ্য অধ্যায় নয়। এর আগেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে একাধিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর পূর্ববর্তী পদকজয়ের তালিকা প্রমাণ করে, তিরন্দাজিতে ধারাবাহিকভাবে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে চলেছেন এই ক্রীড়াবিদ।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এশিয়া কাপে সিনিয়র রিকার্ভ বিভাগে ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জয় করেন বাসন্তী। একই প্রতিযোগিতায় মিশ্র দলগত বিভাগে রুপোর পদকও অর্জন করেন তিনি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই সাফল্য তাঁর ক্রীড়াজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে ভারতের হয়ে দলগত বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের কৃতিত্বও রয়েছে তাঁর। দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক জয় একজন খেলোয়াড়ের কাছে বিশেষ সম্মানের বিষয়। সেই সাফল্য বাসন্তীর অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করেছে বলেই মনে করা যায়।

চিনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ইয়ুথ আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপেও দুটি রুপোর পদক জয় করেছেন তিনি বলে প্রাপ্ত বিবরণে উল্লেখ রয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এই ধারাবাহিক সাফল্য তাঁকে দেশের সম্ভাবনাময় তিরন্দাজদের তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দিয়েছে।

আর্চারি প্রিমিয়ার লিগেও সাফল্যের মুকুট

আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পাশাপাশি পেশাদার তিরন্দাজির মঞ্চেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বাসন্তী মাহাত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আর্চারি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম মরশুমে রাজপুতানা রয়্যালসের হয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি।

দলগত প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেতে ব্যক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি প্রয়োজন পারস্পরিক সমন্বয়, কৌশলগত বোঝাপড়া এবং চাপের মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। একটি দলকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। বাসন্তীর এই সাফল্য তাঁর প্রতিযোগিতামূলক অভিজ্ঞতার আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক।

তবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, পেশাদার লিগ এবং সর্বভারতীয় পুলিশ তিরন্দাজি প্রতিযোগিতা—প্রতিটি ক্ষেত্রের নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। বিভিন্ন মঞ্চে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা একজন খেলোয়াড়কে আরও পরিণত করে তুলতে পারে এবং ভবিষ্যতের বড় প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে।

প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে, আজ হাজারো তরুণের অনুপ্রেরণা

পুরুলিয়ার মতো জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে উঠে এসে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে সাফল্য অর্জন করা সহজ নয়। অনেক সময় উন্নত প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া পরিকাঠামো, আর্থিক সহায়তা এবং উপযুক্ত সুযোগের অভাব প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সেই বাস্তবতার মধ্যে বাসন্তীর সাফল্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

রানসি গ্রামের এই মেয়ের পথচলা আজ বহু কিশোর-কিশোরী এবং তরুণ-তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে থেকে খেলাধুলায় বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের কাছে বাসন্তীর জীবন ও সাফল্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে—সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে এবং লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে চললে বড় মঞ্চেও নিজের পরিচয় তৈরি করা সম্ভব।

তবে একজন সফল ক্রীড়াবিদের পিছনে শুধু তাঁর ব্যক্তিগত পরিশ্রমই থাকে না। পরিবার, প্রশিক্ষক, অ্যাকাডেমি এবং সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাসন্তীর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ থেকে উন্নত প্রশিক্ষণের পর্যায় পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়ার কাহিনি ভবিষ্যতে জেলার আরও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।

পুরুলিয়া থেকে বাংলার গর্ব, দেশের গর্ব

বাসন্তী মাহাতর সাফল্যকে ঘিরে পুরুলিয়ার মানুষের গর্বের কারণ স্পষ্ট। জেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিচিতি তৈরি করেছেন। তাঁর পদকজয় শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, জেলার ক্রীড়া সম্ভাবনাকেও নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

এই সাফল্য থেকে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট হয়—জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিভার অভাব নেই। প্রয়োজন প্রতিভা চিহ্নিত করা, যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং খেলোয়াড়দের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা। বাসন্তীর মতো খেলোয়াড়দের সাফল্য সেই উদ্যোগের গুরুত্বকে আরও বেশি করে তুলে ধরে।

আগামী দিনে আরও বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশের হয়ে সাফল্য অর্জন করুন বাসন্তী—এটাই এখন পুরুলিয়ার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ থেকে শুরু করে রাজ্যের অসংখ্য মানুষের প্রত্যাশা। তাঁর এই যাত্রা আরও বহু নতুন প্রতিভাকে তিরন্দাজির মতো খেলায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে, এমনটাই আশা করা যায়।

সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা

রাঁচির খেলগাঁওয়ে একাধিক পদক জয়ের মাধ্যমে বাসন্তী মাহাত নিজের ক্রীড়াজীবনে আরও একটি স্মরণীয় অধ্যায় যোগ করেছেন। ৭০ মিটারের দুই পর্বে সোনা, সামগ্রিক বিভাগে স্বর্ণপদক এবং মিশ্র দলগত বিভাগে সাফল্য তাঁর পারফরম্যান্সকে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য করে তুলেছে। পাশাপাশি দলগত বিভাগে ব্রোঞ্জ জয়ও তাঁর পদক তালিকাকে সমৃদ্ধ করেছে।

বরাবাজারের ‘লক্ষ্য’ অ্যাকাডেমিতে শুরু হওয়া যে যাত্রা ২০১৯ সালে SAI সল্টলেক কেন্দ্রে উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন গতি পেয়েছিল, আজ তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্যের পরিচয় বহন করছে।

পুরুলিয়ার রানসি গ্রামের এই সোনার মেয়ের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা। তাঁর সাফল্যে গর্বিত পুরুলিয়া, গর্বিত পশ্চিমবঙ্গ, সর্বোপরি গর্বিত দেশবাসী। আগামী দিনে আরও বড় মঞ্চে ভারতের হয়ে সাফল্যের নতুন ইতিহাস লিখুন বাসন্তী মাহাত—এটাই সকলের প্রত্যাশা।