নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দুর্গাপুজোর নবমীতে আপাতত স্বস্তির খবর আবহাওয়া নিয়ে। আজ সারাদিন পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় আবহাওয়া মনোরম ও শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পুজোর শেষ মুহূর্তে ঠাকুর দেখা, মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরাঘুরি এবং উৎসবের আনন্দ উপভোগ করার ক্ষেত্রে আবহাওয়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়ানোর আশঙ্কা আপাতত কম। তবে এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে নতুন করে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনাকে ঘিরে বাড়ছে আবহাওয়া সংক্রান্ত উদ্বেগ। এই নিম্নচাপ শক্তি বাড়ালে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য নিম্নচাপের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। নিম্নচাপ তৈরি হলেই যে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। তবে অনুকূল পরিবেশ পেলে নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঝড়ের রূপ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে তার গতিপথ, শক্তি এবং উপকূলে সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে পরবর্তী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখা জরুরি।
প্রাথমিকভাবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে এই সময়সীমাকে নিশ্চিত পূর্বাভাস হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। ঘূর্ণিঝড় আদৌ তৈরি হবে কি না, তৈরি হলে কোন দিকে এগোবে এবং পশ্চিমবঙ্গে তার কতটা প্রভাব পড়বে—এই সমস্ত বিষয় এখনও নির্ভর করছে পরবর্তী পরিস্থিতির উপর।
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ শক্তিশালী হলে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। পাশাপাশি সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট কোনও জেলা কতটা প্রভাবিত হবে, কোথায় কতটা বৃষ্টি হতে পারে কিংবা ঝড়ের গতিবেগ কত হতে পারে, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দা, মৎস্যজীবী এবং সমুদ্রের উপর নির্ভরশীল মানুষজনের জন্য আবহাওয়ার পরবর্তী আপডেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের তরফে কোনও সতর্কতা জারি হলে তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা ও স্থানীয় প্রশাসনের ঘোষণাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
আজ নবমীতে রাজ্যের আবহাওয়া মোটের উপর মনোরম ও শুষ্ক থাকার সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। ফলে পুজোর আনন্দে আপাতত আবহাওয়াজনিত বড় বাধার আশঙ্কা কম।