অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আত্মনির্ভর, সমৃদ্ধ ও বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যে মানুষের পাশে থাকার বার্তা তুলে ধরা হয়। দেশ ও সমাজের উন্নয়নের ক্ষেত্রে জনসেবাকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকারও সামনে আসে।
‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’-র মূল ভাবনাকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য পূরণে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।
‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করার বার্তা দেওয়া হয়। মানুষের সেবা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং উন্নয়নের কাজে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয় উপস্থিতদের উদ্দেশে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, একটি শক্তিশালী ও উন্নত দেশ গড়ার জন্য কেবল সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সহযোগিতা এবং উন্নয়নের ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যেও উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে মানুষের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকে যুক্ত করার বার্তা দেওয়া হয়। বিশেষ করে মানুষের সেবা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক বক্তার বক্তব্য অনুযায়ী, আত্মনির্ভর, সমৃদ্ধ ও বিকশিত ভারত গড়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করে মানুষের সেবায় নিরন্তর এগিয়ে চলাই প্রধান অঙ্গীকার। উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আগামী দিনেও ধারাবাহিকভাবে কাজ করার বার্তা দেওয়া হয়।
কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যায়। বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্য, জনসেবা এবং আত্মনির্ভরতার বার্তা সামনে আসে। অনুষ্ঠান শেষে মানুষের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নের কাজে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করা হয়।
সব মিলিয়ে, ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা ও সেবা জ্যোতি যাত্রা’কে কেন্দ্র করে কলকাতায় একদিকে যেমন দেশের উন্নয়নের বৃহত্তর ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে, তেমনই মানুষের সেবাকে উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে সামনে আনা হয়েছে। আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারত গড়ার লক্ষ্যে এই ধরনের কর্মসূচি আগামী দিনেও ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।