Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট একসঙ্গে খাওয়া যায়? সময়ের ব্যবধান কেন গুরুত্বপূর্ণ   •   মোদীর জনসেবার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কোচবিহারে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’, বক্তব্য রাখলেন শমীক ভট্টাচার্য   •   বাথরুম ব্যবহারের পরেও ফের প্রস্রাবের বেগ? কারণ হতে পারে সংক্রমণ থেকে মানসিক চাপ   •   দুর্গাপুজোর আগে নতুন রূপে কলকাতার ফুটপাত, মেরামতি ও সৌন্দর্যায়নে জোর অগ্নিমিত্রা পালের   •   নেতাজি ইন্ডোরে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা ও সেবা জ্যোতি যাত্রা’, আত্মনির্ভর ভারতের বার্তা   •   মেদিনীপুরে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’, ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’ ঘিরে বিশেষ কর্মসূচি

মেদিনীপুরে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’, ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’ ঘিরে বিশেষ কর্মসূচি

07 Oct 2026
06:35 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শাসনকালকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশব্যাপী আয়োজিত ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’-র অন্তর্গত মেদিনীপুরের কলেজিয়েট ময়দানে অনুষ্ঠিত হল ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মেদিনীপুরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়। সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প এবং সরকারের উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তব্যে দেশের পরিকাঠামো উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রসঙ্গ উঠে আসে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও তিনি তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেন।

‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’-র মূল ভাবনার সঙ্গে মানুষের পাশে থাকা, সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছনো এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে সামনে আনার বিষয়টি যুক্ত রয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সেই ধারাবাহিকতায় মেদিনীপুরের কলেজিয়েট ময়দানে ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’র আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, আগামী দিনে দেশের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রযুক্তি, পরিকাঠামো, কৃষি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আরও জোর দেওয়া প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সরকারি পরিষেবা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

দিলীপ ঘোষ তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কীভাবে উপকৃত হচ্ছেন, সেই বিষয়গুলিও সভায় তুলে ধরা হয়।

মেদিনীপুরের কলেজিয়েট ময়দানে আয়োজিত এই কর্মসূচিকে ঘিরে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা যায়। স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করার বার্তা দেন।

আয়োজকদের বক্তব্য, দেশের উন্নয়ন কেবলমাত্র বড় পরিকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জল, আবাসন, বিদ্যুৎ, রাস্তা এবং অন্যান্য নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখেই ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’র মতো কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও রাজ্য ও কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। মেদিনীপুর এবং আশপাশের এলাকার উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ও উঠে আসে। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি থেকে শুরু করে যুবসমাজের কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়ন—একাধিক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন বক্তারা।

‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিকে শুধু রাজনৈতিক সভা হিসেবে না দেখে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক বিষয় তুলে ধরার একটি মাধ্যম হিসেবেও দেখছেন আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

মেদিনীপুরের এই সভা থেকে ‘বিকশিত ভারত’ গঠনের লক্ষ্যে মানুষের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। আগামী দিনে দেশের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সব মিলিয়ে, মেদিনীপুরের কলেজিয়েট ময়দানে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র অন্তর্গত ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’কে ঘিরে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি কেন্দ্রের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ ভারতের ভাবনা তুলে ধরা হয়। দিলীপ ঘোষের বক্তব্য এবং কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি মেদিনীপুরের রাজনৈতিক পরিসরে তাৎপর্যপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে সামনে আসে।