নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: তোলাবাজি, অবৈধ অর্থ আদায় কিংবা সিন্ডিকেট-সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে শুধু মাঠপর্যায়ের কর্মী বা সদস্যের ভূমিকা নয়, এর পিছনে থাকা নির্দেশদাতা এবং সাংগঠনিক কাঠামোরও তদন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য, কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সদস্যকে যদি সংগঠনের উপরমহল থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেই নির্দেশ মেনে কাজ করা ব্যক্তির পাশাপাশি নির্দেশদাতাদের ভূমিকাও তদন্তের আওতায় আসা উচিত। তাঁর মতে, কোনও ব্যক্তি উপরতলার নির্দেশ মেনে বেআইনি কাজে যুক্ত হয়ে থাকলে তদন্তে জানতে হবে—নির্দেশটি কোথা থেকে এসেছিল, সংগৃহীত অর্থ কোথায় গিয়েছে এবং এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।
তোলাবাজি বা অবৈধ অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে জবাবদিহির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। অগ্নিমিত্রা পাল স্পষ্ট করেন, অভিযোগের যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায় নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
সম্প্রতি দুর্নীতি ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্নীতির ক্ষেত্রে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলবে।
এদিকে, দুর্গাপুরে একটি সংস্থাকে দেওয়া কাজের বরাত বাতিল করে নতুন করে টেন্ডার ডাকার নির্দেশও সম্প্রতি দিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
তবে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্তের ফলাফল এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই দায় নির্ধারণ করা হবে—এমনটাই আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মূল বিষয়।