নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:প্রতিদিনের ব্যস্ততা, কাজের চাপ এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে অনেক প্রাপ্তবয়স্কই নিয়মিত ক্লান্তি অনুভব করেন। সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ছয় জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে প্রায় একজন প্রায়ই ক্লান্ত বা অবসন্ন বোধ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার অভ্যাস ক্লান্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। সুষম খাবার, পর্যাপ্ত জল পান এবং নিয়মিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে সাহায্য করতে পারে। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়।
এর পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী হাঁটা, হালকা ব্যায়াম বা অন্যান্য শরীরচর্চা দৈনন্দিন রুটিনে রাখা যেতে পারে।
তবে দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে শুধুমাত্র জীবনযাপনের পরিবর্তনের উপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নিয়মিত ক্লান্তি কখনও কখনও অন্য কোনও শারীরিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।