Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
দার্জিলিংয়ের চৌরাস্তায় জমজমাট ‘সরস মেলা’, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতে তৈরি সামগ্রীতে মুগ্ধ পর্যটকরা   •   কাঁকসায় বাড়ির উঠোনে মিলল জোড়া কচ্ছপ, উদ্ধার করে বনদপ্তরের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় যুবক   •   যানজট কমাতে একাধিক শহরে মাল্টি-লেভেল পার্কিং, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার কোটি বিনিয়োগের প্রস্তাব   •   গোবর থেকে তৈরি হবে রান্নার গ্যাস, জয়নগরে অভিনব উদ্যোগ ব্লক প্রশাসনের! ৭৩ খামারিকে চিহ্নিত, জাঙ্গালিয়ায় তৈরি প্রথম দুটি প্ল্যান্ট   •   অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়, সঠিক প্রক্রিয়ায় নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই লক্ষ্য: পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল   •   সল্টলেক বিজেপি কার্যালয়ে জনতার দরবারে শুভেন্দু অধিকারী, সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনে পাশে থাকার বার্তা

তুলাইপাঞ্জি ধান: উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি ধানের চাষে কৃষকদের আগ্রহ

15 Sep 2026
09:24 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  দেশীয় সুগন্ধি ধানের মধ্যে অন্যতম পরিচিত নাম তুলাইপাঞ্জি। উত্তরবঙ্গের কৃষি ও খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই জড়িয়ে রয়েছে এই বিশেষ সুগন্ধি ধান। বিশেষ করে উত্তর দিনাজপুর জেলায় তুলাইপাঞ্জির চাষ বেশি হলেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকাতেও কৃষকরা এই ধানের চাষ করে থাকেন।

তুলাইপাঞ্জি চালের বিশেষত্ব মূলত এর স্বাভাবিক সুগন্ধ, স্বাদ ও গুণমানে। এই ধরনের দেশীয় সুগন্ধি ধানের বৈশিষ্ট্য অনেকটাই নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট এলাকার মাটি, জলবায়ু ও পরিবেশের উপর। ফলে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার সঙ্গে এই ধানের গুণমানের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

সাধারণত খরিফ মরসুমে, অর্থাৎ আষাঢ় থেকে শ্রাবণ মাসের মধ্যে তুলাইপাঞ্জি ধানের বপন করা হয়। এরপর নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ ধান কাটার সময় আসে। এই ধান জিআই (Geographical Indication) স্বীকৃতি পাওয়ায় এর নির্দিষ্ট ভৌগোলিক উৎস ও স্বাতন্ত্র্যও সরকারি ভাবে স্বীকৃত।

তবে তুলাইপাঞ্জি ধান চাষে কৃষকদের সামনে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এই ধানের গাছ তুলনামূলকভাবে লম্বা হওয়ায় শিষে ধান আসার পর অনেক সময় গাছের গোড়ার অংশ বেঁকে গিয়ে জমিতে লুটিয়ে পড়ে। কৃষি ক্ষেত্রে এই সমস্যাকে ‘লজিং’ বলা হয়। ফলে সঠিক সময়ে পরিচর্যা ও উপযুক্ত কৃষি ব্যবস্থাপনা এই ধানের চাষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

চাষের নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও উত্তরবঙ্গের বহু কৃষক এখনও ঐতিহ্যবাহী এই সুগন্ধি ধানের চাষ চালিয়ে যাচ্ছেন। তুলাইপাঞ্জি চালের স্বতন্ত্র সুগন্ধ ও স্বাদের কারণে সাধারণ চালের তুলনায় বাজারে এর চাহিদা এবং দামও তুলনামূলকভাবে বেশি।

স্থানীয় কৃষকদের পাশাপাশি ভোক্তাদের মধ্যেও তুলাইপাঞ্জির জনপ্রিয়তা ধরে রয়েছে। উত্তরবঙ্গের কোথায় কোথায় এই দেশীয় সুগন্ধি ধানের চাষ হচ্ছে, সেই তথ্যও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হচ্ছে। আপনাদের এলাকায় তুলাইপাঞ্জি ধানের চাষ হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।